আরব বিশ্বকে সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের কয়েক জন বিশিষ্ট নাগরিক। ইসরাইলের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের নিন্দা ও ফিলিস্তিনের জনগণের অধিকারের প্রতি সংহতি জানাতে গতকাল বুধবার ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাসানী অনুসারী পরিষদ আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে তারা এ আহ্বান জানান।
সমাবেশে সভাপতিত্বকারী ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করা উচিত ফিলিস্তিনিদের এই বেঁচে থাকার আন্দোলনে অর্থ ও সামরিক অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করবে। সর্বদলীয় কমিটি করে ফিলিস্তিন, পাকিস্তান, তুরস্ক সবাইকে নিয়ে একটি বাহিনী গঠন করে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁঁড়ানো জরুরি। তা না হলে ফিলিস্তিনের প্রতি সহমর্মিতার কথা বলা ভাঁওতাবাজি হবে। আগামীকাল শুক্রবার জুমার পরে সব বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একত্রিত হয়ে জায়েনবাদী দেশগুলোর দূতাবাস ঘেরাও করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সৌদি আরবকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।
সমাবেশে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জনগণের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আজকে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা আমরা এখানে সভা করে বলতে পারব না। কিন্তু সরকার তো বলতে পারত।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী এবং তাদের সর্বোচ্চ নেতার বিচার দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ইসরাইলের মতো একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রকে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সমর্থন করা নিন্দনীয়। আমি জোরালোভাবে বলছি আরবদের সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকা উচিত। আলোকচিত্রী শহিদুল হক বলেন, এই আগ্রাসন শুধু ইসরাইল করে না, যারা তাদের সহযোগী তারা সবাই করে।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা রেহনুমা আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা উলফাত আজিজ, গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।
