তালা উপজেলার অধিকাংশ কৃষক নেপিয়ার ঘাস চাষের দিকে ঝুঁকছেন। কয়েক বছর ধরে নেপিয়ার ঘাস চাষে ধানের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা। তবে যে জমিতে ঘাস চাষ হয়, সেই জমিতে পুনরায় ধান চাষ করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিবিদরা। উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের সমীর ঘোষ, সন্তোষ ঘোষ, ভবতোষ ঘোষ, মো. শওকত শেখ, তালা সদর ইউনিয়নের মনিরুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন কৃষক জানান, সামান্য মাত্রায় ইউরিয়া সার এবং সেচের মাধ্যমে স্বল্প খরচে ঘাস উত্পাদন করা যায়। এতে স্বল্প সময়ে লাভ বেশি পাওয়া যায়। যে কারণে ধান চাষ থেকে চাষিরা অনেকাংশে ঘাস চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, তালায় প্রচুর সংখ্যক গরুর খামার রয়েছে। আর এসব খামারির প্রয়োজনে তারা নিজেরাই নেপিয়ার ঘাস চাষ করেন। আবার অন্যের কাছে এ ঘাস বিক্রি করে টাকাও আয় করেন কৃষকরা। তালা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সন্জয় বিশ্বাস জানান, দিন যত যাচ্ছে নেপিয়ার ঘাসের চাষ ততই বাড়ছে। উপজেলায় ১০০ একরেরও বেশি জমিতে উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাস চাষ করে গো-খাদ্যের চাহিদা মেটাচ্ছেন খামারিরা। তিনি আরো বলেন, তালা উপজেলায় ৩ হাজার ৭৫৫টি ছোট-বড় গবাদি পশুর খামার রয়েছে। যার থেকে প্রতিদিন ২৪ হাজার ৪২৮ মেট্রিক টন দুধ উত্পাদন হয়।
