টানা ১১ দিনের সহিংস সংঘাতের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাস। যা আজ থেকে কার্যকর হয়েছে। সহিংসতায় কেবল ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিহত হয়েছে ৬৬ শিশু ও ৩৯ নারীসহ অন্তত ২৪৩ জন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন এক হাজার ৯১০ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক। এখনো বিভিন্ন স্থান থেকে আহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। আজ শুক্রবার (২১ মে) এ খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
এদিকে, দাতা সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন এই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এবং এটা বলেছে যে, সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশু ও তাদের পরিবারের দিকে সহায়তার নজর বাড়াতে হবে।
সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর জেসন লি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের মধ্যে অনেকেই এখন এক ধরনের মানসিক,সংবেদনশীল এবং শারীরিক ভয় ও ক্ষত নিয়ে বেঁচে থাকবে। তাই সকলপক্ষকে অবশ্যই মানবাধিকার কর্মীদের অনুমতি দিতে হবে, যেন তারা ওই শিশুদের নিকট পৌঁছে তাদের পর্যাপ্ত সহায়তা করতে পারে।
সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলি শিশুদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভূ-গর্ভস্ত টানেল থেকে শুক্রবার ৫ জনের মরদেহ ও আহত অবস্থায় ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৪৩ জনে।
গাজার নাগরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী প্রধান রায়েদ আল-দহশান বলেন, সিভিল ডিফেন্স এবং গণপূর্ত ও পৌরসভা মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা এখন ধ্বংসস্তূপ দূর করার কাজ করছে।
ইত্তেফাক/টিএ
