ফল কাঁঠাল

আপডেট : ২৩ মে ২০২১, ০০:১২

আমাদের জাতীয় ফল। আদি নিবাস এই ভারতীয় উপমহাদেশেই। মাঝারি আকারের কাষ্ঠল উদ্ভিদ। চারা বপনের সাত-আট বছর পর থেকেই গাছে ফল আসা শুরু করে। কাঁঠাল বেশ কয়েক জাতের হয়। সাধারণত গলা বা গালা এবং খাজা—এ দুভাগেই কাঁঠালকে ভাগ করা হয়। গালা কাঁঠালের কোষ নরম, মিষ্টি, রসালো, কোমল ও অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের। খাজা কাঁঠালের কোষ আকারে বড়, কম রসালো ও অপেক্ষাকৃত শক্ত বা কচকচে। কাঁঠাল কাঁচা এবং পাকা দু অবস্থাতেই খাওয়া যায়। কাঁচা কাঁঠালকে এঁচোড় বলা হয়। এঁচোড় তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়। মাংস দিয়ে রান্না করা এঁচোড় তরকারি হিসেবে খুবই জনপ্রিয়। পাকা কাঁঠালের কোষ খাওয়া হয়। কাঁঠালের রস দিয়ে আমসত্ত্বের মতো ‘কাঁঠালসত্ত্ব’ও তৈরি করা যায়। পাকা কাঁঠাল দিয়ে জেলিও তৈরি হয়ে থাকে। বর্তমানে থাইল্যান্ডে চিপসও তৈরি হচ্ছে! শুধু ফল নয়, কাঁঠালের বিচিও শুকিয়ে বাদামের মতো করে ভেজে খাওয়া যায়। তরকারিও রান্না করা যায়। এই বিচি ভর্তা খুবই সুস্বাদু। স্বাদের দিক দিয়ে তো বটেই, পুষ্টিগুণের দিক দিয়েও কাঁঠাল অনন্য।

কাঁঠালগাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরির জন্য সমাদৃত। কাঁঠালপাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাবার। তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহিঃভাগ পুরু এবং কণ্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি কাণ্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। বৃহদাকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত। মৌসুমি এ ফলে ভেষজগুণ প্রচুর।

মো. হাছিবুল বাসার মানিক