স্পোর্টস রিপোর্টার
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোরের নেটে প্রথম দফায় ব্যাটিং করেছেন তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম। তাদের পরেই নেটে ব্যাটিং করতে দেখা গেছে আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুনদের। গতকাল নেটে তরুণ আফিফের প্রতি কোচের বাড়তি নজর দৃষ্টি এড়ায়নি। বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানকে নিয়ে আলাদা চিন্তা-ভাবনার ইঙ্গিত ছিল হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর কথায়ও।
ব্যাটিং অর্ডারের সাত নম্বরে দলের চাওয়া হলো একজন ব্যাটসম্যান যিনি বোলিং করতে পারবেন দলের প্রয়োজনে। সঙ্গে দুর্দান্ত ফিল্ডারও হবেন। একটা পরিপূর্ণ প্যাকেজই চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট। যেখানে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, শেখ মেহেদী হাসানকে পরখ করা হয়েছে অতীতে। প্রায় একই ঘরনার ক্রিকেটার আফিফ। তাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সাত নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে আফিফকে সুযোগ দিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।
গতকাল দল সূত্রে জানা গেছে, আজ প্রথম ওয়ানডের একাদশে থাকবেন আফিফ। ব্যাটিং করবেন সাত নম্বরে। সঙ্গে তার অফস্পিনও কাজে লাগানো হবে।ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এক ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আফিফকে নিয়ে বড় আশার কথা বলেছেন ডমিঙ্গো। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আশা করি আফিফের মতো কেউ এ সিরিজে এসে প্রভাব ফেলবে।’ গত বছর সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিল ২১ বয়সী ক্রিকেটারের।
সাত নম্বরে দলের চাওয়ার বিস্তারিত তুলে ধরে প্রোটিয়া এ কোচ বলেছেন, ‘আমি মনে করি, আমরা সাত নম্বরের ভূমিকার জন্য কাউকে খুঁজছি, যে ব্যাটসম্যান স্পিন বোলিং করতে পারবে। এখানে আফিফ, মোসাদ্দেক আছে। যে ম্যাচটা শেষ করতে পারবে, ভালো ফিল্ডার— একটা ভালো প্যাকেজ যে ব্যাটিং এবং বোলিং করতে পারবে।’
সাকিব, মিরাজের থাকায় স্পিন আক্রমণ নিয়ে ভাবনা কম। মাহমুদউল্লাহ, আফিফও বোলিং করতে পারবেন। বাংলাদেশের একাদশে তাই তিন পেসার দেখা যেতে পারে। মুস্তাফিজ, তাসকিনের সঙ্গে তৃতীয় পেসার হিসেবে শরীফুল ইসলামের অভিষেক হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ধ
