বান্দরবানের লামা পৌরসভার চাম্পাতলীতে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই কন্যা খুনের ঘটনায় অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেছে মৃত মাজেদা বেগমের মা লালমতি খাতুন। শনিবার বিকালে লামায় এই মামলা করেন তিনি। এদিকে খুনের শিকার মাজেদা বেগম ও তার দুই কন্যা নুর-এ জান্নাত রীদা প্রকাশ নুরী (১০ মাস) এবং সুমাইয়া ইয়াছমিন প্রকাশ রাফির লাশ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে পুলিশ কুয়েত প্রবাসী নুর মোহাম্মদের লামা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চাম্পাতলীর তালাবব্ধ ঘর থেকে তার স্ত্রী ও দুই কন্যার লাশ উদ্ধার করে।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লামা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর জানান, এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয় জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চার জন হলেন মৃত রাফি ও নূরীর দুই চাচা আব্দুল খালেক ও শাহ আলম, খালা রাহেলা বেগম ও খালু মো. আব্দুর রহিম। এছাড়া রাফিদের বাসার পার্শ্ববর্তী মসজিদে গেল রমজানে তারাবির নামাজ পড়ানো হাফেজ মো. সায়েদুর রহমান এবং স্থানীয় প্রতিবেশি যুবক মো. রবিউল হোসেন।
লামা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত খুন। হত্যাকাণ্ডের পর দুর্বৃত্তরা বাহির থেকে তালা দিয়ে গেছে। তাছাড়া ঘরের মধ্যে আলমারি ও ওয়্যারড্রবের ড্রয়ারের তালা ভাঙা। ঘরের কাপড়-চোপড় আসবাসপত্র সব এলোমেলো। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও লক্ষাধিক টাকা খোয়া গেছে বলে জানিয়েছেন মৃত মাজেদার শাশুড়ি ছকিনা খাতুন। ওসি বলেন, যেহেতু পুলিশ, পিবিআই ও র্যাব এক হয়ে কাজ করছে। আশা করি, অতিদ্রুত খুনের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
