টিকিট কনফার্ম করতে পেরেছি। করোনার টেস্টও করেছি। কোয়ারেন্টাইনের নামে বাড়তি ৫৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হলো আমাকে। এই টাকা যতক্ষণ পরিশোধ করিনি ততক্ষণ টিকিট কনফার্ম করেনি। অনেক দিন দেশে ছিলাম। টাকা-পয়সা সব শেষ। বহু কষ্টে দেনা করে এই সময়ে এতগুলো টাকা জোগাড় করেছি।
—সুমন ইসলাম
রিয়াদপ্রবাসী যাত্রী
(সূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক, ২৩ মে ২০২১)
