কর্মভিত্তিক দক্ষতা বাড়াতে হবে

আপডেট : ২৩ মে ২০২১, ২০:৪৬

ইত্তেফাক রিপোর্ট

জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নে ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের যুবসমাজের কার্যকর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক দুর্বলতা আছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফরম, বাংলাদেশের আয়োজনে এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় ‘এসডিজি বাস্তবায়নে জবাবদিহিতা:স্থানীয় প্রেক্ষিত ও যুবসমাজ’ শীর্ষক একটি ভার্চুয়াল সংলাপে বক্তারা এ কথা বলেন। গতকাল আয়োজিত সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আজহারুল ইসলাম খান, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করে নাগরিক প্ল্যাটফরমের গবেষক নাজীবা আলতাফ। তিনি বলেন, শুধু কর্মভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে মনোনিবেশ না করে, সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে যুব-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং যুবদের অধিকারসম্পর্কিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। পরোক্ষভাবে পরামর্শ গ্রহণ প্রক্রিয়া নয়, যুবদের স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এসডিজি জবাবদিহি প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত করতে হবে। সুনির্দিষ্ট এসডিজি সম্পর্কিত এবং যুব-ভিত্তিক কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা উচিত। সংলাপে টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০-এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে অংশগ্রহণমূলক করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মো. আজহারুল ইসলাম খান বলেন, এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে, ই-লার্নিং প্ল্যাটফরম এসডিজির জবাবদিহিতা এবং যুবকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একশনএইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, ২০১৭ ও ২০২০ সালে বাংলাদেশ ভিএনআরে এসডিজি বাস্তবায়নের প্রগতি তুলে ধরলেও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও যুবসমাজকে সম্পূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাই অতিমারির কারণে পিছিয়ে পড়া যুবদের এসডিজি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা দরকার। সমাপনী বক্তব্যে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফরম, বাংলাদেশের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যুবদের সংখ্যা বাড়ালেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে তাদের অংশগ্রহণ এখনো সেভাবে বাড়ানো যায়নি। যুব কণ্ঠস্বরকে জোরালো করার জন্য কাজ করতে হবে। তিনি স্থানীয়ভাবে যুবকদের ক্ষমতায়ন করার ক্ষেত্রে তথ্য ও উপাত্তের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।