হাজীগঞ্জের নদী বাড়ী গ্রামে ঘুরতে এসে এক নারী (২০) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ঐ নারী বাদী হয়ে সোমবার চার জনকে আসামি করে হাজীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চার জনের মধ্যে দুই জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তারা হলো ৬ নম্বর পূর্ব বড়কুল ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে মো. মহিনউদ্দিন ও একই গ্রামের মাঝি বাড়ির মো. দুলাল মিয়াজীর ছেলে মো. শাকিল হোসেন।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. হারুনুর রশিদ সংবাদকর্মীদের জানান, মেয়েটি গত শনিবার নদী বাড়ী এলাকায় ঘুরতে আসলে সেখানে যুবক শাকিলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। রাতে ঐ নারী বাড়ি যেতে চাইলে শাকিল ও তার সহযোগী মহিনউদ্দিন কৌশলে নদী বাড়ী সংলগ্ন একটি বালুর মাঠে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঐ তরুণীকে কয়েক দফা ধর্ষণ করে। একই রাতে তাকে রান্ধুনীমুড়া বৈষ্ণব বাড়িসংলগ্ন এলাকায় শাকিলের খালার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মো. ইউসুফের ছেলে ইসমাইল (৩২) ও তার ছোট ভাই কালু (২১) মেয়েটিকে কয়েক দফা ধর্ষণ করে। এরপর ঐ তরুণীকে পরদিন সকালে ধর্ষণকারীরা রাস্তার পাশে মাঠে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ রবিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে শাকিল ও মহিনউদ্দিনকে আটক করে। বাকি দুই আসামি ইসমাইল ও তার ছোট ভাই কালুকে আটকের চেষ্টা চলছে। সোমবার সকালে নির্যাতিত তরুণীকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
