আক্রান্তদের ৭৬ শতাংশই প্রসবজনিত

আপডেট : ২৫ মে ২০২১, ২১:২৬

আন্তর্জাতিক ফিস্টুলা প্রতিরোধ দিবসের আলোচনায় বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ফিস্টুলা প্রসবজনিত জটিলতার কারণে সৃষ্ট একটি রোগ। দেশে প্রসবজনিত ফিস্টুলা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার। প্রতি বছর অন্তত ২ হাজার নতুন ফিস্টুলা রোগী এর সঙ্গে যোগ হন। ফিস্টুলায় আক্রান্তদের ৭৬ শতাংশই প্রসবজনিত এবং বাকি ২৪ শতাংশ সার্জিক্যাল বা আঘাতজনিত ফিস্টুলায় আক্রান্ত। দেশে প্রতি ১ হাজার বিবাহিত নারীর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৬৯ জনই প্রসবকালীন ফিস্টুলায় আক্রান্ত হন।

প্রসবকালীন ফিস্টুলায় নারীর যোনিপথ, মূত্রনালি ও পায়ুপথের মধ্যে ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে করে মাসিকের রাস্তা দিয়ে অনবরত প্রস্রাব বা পায়খানা কিংবা উভয়ই ঝরতে থাকে। ফলে আক্রান্ত নারীরা দুর্গন্ধের কারণে পরিবার ও সমাজ থেকে পরিত্যক্ত হয়ে পড়েন। দেশের সরকারি ১০টি ও বেসরকারি ৮ হাসপাতাল ও সেবাকেন্দ্রে বিনা মূল্যে প্রসবজনিত ফিস্টুলায় আক্রান্তদের চিকিত্সাসেবা দেওয়া হয়।

গত রবিবার ‘আন্তর্জাতিক প্রসবজনিত ফিস্টুলা সচেতনতা দিবস-২০২১’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনাসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। যৌথভাবে এই অনলাইন আলোচনাসভার আয়োজন করে ‘অবসটেস্ট্রিকস ও গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি), মামস ইনস্টিটিউট ওব ফিস্টুলা অ্যান্ড ওমেন্স হেল্থ (এমআইএফডব্লিউওএইচ), ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর অবস্টাট্রিক ফিস্টুলা সার্জনস (আইএসওএফএস)  এবং ফিমেল পেলভিক মেডিসিন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এফপিএম- আরএসএসবি)। ২০১৩ সাল থেকে প্রতি বছর ২৩ মে পালিত হয়ে আসছে ‘আন্তর্জাতিক প্রসবজনিত ফিস্টুলা প্রতিরোধ দিবস।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম।