পাকিস্তানের অন্যতম সম্পদ সমৃদ্ধ প্রদেশ বেলুচিস্তান। কিন্তু সম্পদ থাকার পরও এই অঞ্চলে হতাশাদায়ক প্রবৃদ্ধি, বিস্তৃত দারিদ্র্য এবং মন্দ শাসন বেড়েই চলেছে। খালেক নজর কিয়ানী ফ্রন্টিয়ার পোস্টে বলেছেন, প্রাকৃতিক সম্পদ পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলি বেলুচিস্তানের আশীর্বাদকে এখন অভিশাপে পরিণত করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) এসব তথ্য জানিয়েছে ইয়াহু নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়ানি লিখেছেন, পাকিস্তানের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, বেলুচিস্তানে আশিটির বেশি খনিজ সম্পদ রয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদগুলো অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। কিন্তু একাজে অব্যবস্থাপনা হলে তা বিতর্কও সৃষ্টি করতে পারে। যেকোনো সরকারের দুর্নীতি ও দুর্বল সংস্থাগুলোর কারণে প্রাকৃতিক সম্পদ দখলের জন্য নানা ধরনের মানুষ এগিয়ে আসে।
বেলুচিস্তানে তিনটি বড় খনি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হচ্ছে, সাইন্দক, ডুডার এবং রেকো-ডিক। সাইন্দক এবং ডুডার প্রকল্প পরিচালনা করে চীনা কোম্পানি চায়না মেটালার্জিকাল কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিএমসিসি)। অন্য প্রকল্প রেকোডিকে পাকিস্তান ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার লস করেছে।
সাইন্দক ও ডুডার প্রকল্পে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু সংস্থা (এসএমএল ও পিএমডিসি) এবং সিএমসিসি একসাথে কাজ করছে। সাইন্দকের লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ পায় সিএমসিসি। এরাই আবার পাকিস্তান মিনারেল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (পিএমডিসি) সঙ্গে ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ভাগ করে নেয়।
সাইন্দকে এসএমএলের ৫০ শতাংশ লভ্যাংশের ৩০ শতাংশ পায় বেলুচিস্তান। এর সাথে পাঁচ শতাংশ রয়্যালটি এবং সিএসআরও পায় প্রদেশটি। ডুডার প্রকল্পে বেলুচিস্তান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি পায় কেবল ১০ শতাংশ লভ্যাংশ। ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডুডার প্রকল্পের রাস্তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তারা এ টাকা পায়।
ইত্তেফাক/এসএ
