বুদ্ধপূর্ণিমা শোভাযাত্রায় তথ্যমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনার জন্যই বাংলাদেশের অভ্যুদয়। গতকাল শাহবাগে বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্রতম উত্সব বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিষদ আয়োজিত জাতীয় সম্মিলিত প্রতীকী শান্তি শোভাযাত্রা ও সম্প্রীতি উত্সবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি ড. উত্তম কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিত্ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এবং মহাথেরো আশিনো দীনরক্ষিত আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য দেন। বুদ্ধপূর্ণিমায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। আর স্বাধীনতার অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তেই পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি এবং সেকারণেই আমাদের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা বর্ণিত রয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, দেশের সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যেমন যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন, একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানোর অপচেষ্টাও কঠোর হস্তে দমনে সরকার সবসময়ই বদ্ধপরিকর। ধর্মীয় উত্সবগুলো আমাদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ হয়ে উঠেছে বর্ণনা করে ড. হাছান বলেন, বুদ্ধপূর্ণিমা, দুর্গাপূজা, ঈদ, বড়দিনসহ সব ধর্মীয় উত্সবই এদেশে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে সর্বজনীন রূপলাভ করে। এই সর্বজনীন সম্প্রীতির চেতনা, যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চিরজাগরূক রাখতে চান, তার ওপর কালিমা লেপন বা তাকে নস্যাত্ করার সব অপচেষ্টা রুখে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান তিনি।
সভাশেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ অতিথিদের নিয়ে পরিষদের পক্ষে সভায় আগতদের মধ্যে উপহারসামগ্রী তুলে দেন ও বুদ্ধপূর্ণিমা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
