শীর্ষে উঠলেও পথ বাকি অনেক

আপডেট : ২৬ মে ২০২১, ২০:২৫

  জান-ই-আলম

আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩-র কোয়ালিফিকেশন টুর্নামেন্ট ওডিআই সুপার লিগ। ১৩ দলের সুপার লিগে এখন বাংলাদেশ সবার সেরা। গত মঙ্গলবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ডিএল মেথডে শ্রীলঙ্কাকে ১০৩ রানে হারিয়ে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে টাইগাররা। ৮ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫০ পয়েন্ট।

শীর্ষে উঠলেও আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই তামিম-মুশফিকদের। অতীতে র্যাংকিংয়ের অবস্থানে ঠিক হতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা। এবার যেটি হবে সুপার লিগের অবস্থানের ভিত্তিতে। ২০২০ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া টুর্নামেন্ট চলবে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত। আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১২ দেশের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী নেদারল্যান্ডস আছে সুপার লিগে। যেখানে প্রতিটি দল আটটি করে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে। যার মধ্যে চারটি হোমে, চারটি দেশের বাইরে। প্রতিটি সিরিজে ওয়ানডে ম্যাচ থাকবে তিনটি। দলগুলো চাইলে তিনটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারবে, তবে সেগুলোর মূল্যায়ন হবে না। প্রতি ম্যাচে জয়ের জন্য ১০ পয়েন্ট, পরিত্যক্ত বা টাই হলে ৫ পয়েন্ট করে পাবে দলগুলো।

স্বাগতিক ভারত ও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ সাত দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। সুপার লিগের পাঁচ দল খেলবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে। যেখানে আইসিসি সহযোগী পাঁচটি দলও থাকবে। বাছাই পর্ব থেকে দুটি দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপে খেলবে ১০ দল।

গত জানুয়ারিতে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৩-০ তে সিরিজ জিতে সুপার লিগে যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের। পরে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে তিন ম্যাচ হেরে এসেছে তামিম বাহিনী। আবার চলমান সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আসল বাংলাদেশ। তবে সিরিজে পূর্ণ পয়েন্ট নিশ্চিত করার আগে নির্ভার হওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। তাই আগামীকাল সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতেও একই জয়ের ক্ষুধা নিয়ে খেলতে হবে স্বাগতিকদের।

সুপার লিগের সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের আরও পাঁচটি সিরিজ বাকি রয়েছে। যার মধ্যে তিনটি সিরিজই দেশের বাইরে, দুটি দেশের মাটিতে। বিদেশে বাংলাদেশের তিন সিরিজ জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে বাংলাদেশ, আগামী বছর মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। গত বছর করোনায় স্থগিত হওয়া আয়ারল্যান্ড সফরও সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে ভবিষ্যতে। দেশের মাটিতে চলতি বছর অক্টোবরেই ইংল্যান্ডকে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে আফগানরা আসবে। বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে সুপার লিগের অধীনে দেশের মাটিতে চার সিরিজে ১২ ম্যাচে ১২০ পয়েন্ট নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশকে। সঙ্গে দেশের বাইরেও কয়েকটি ম্যাচ জিততে হবে। তবে অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজটা কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে তামিমদের জন্য। কারণ, তাদের বিরুদ্ধে এখনো সিরিজ জেতা হয়নি বাংলাদেশের।