যোগাযোগের এক জনপ্রিয় মাধ্যম মোবাইল ফোন। আর যদি হয় সেটা এনড্রয়েড তাহলে তো কথাই নেই। তবে এই মোবাইল ফোন ব্যবহারে সর্তকতা নেই বললেই চলে। দীর্ঘদিন ধরে স্কুল-কলেজ বন্ধ, দৈনন্দিন রুটিনে এসেছে অনেক পরিবর্তন। বর্তমান মাঠে খেলাধুলা তেমন নেই বললেই চলে। কারণ মাঠে ব্যাট-বলের পরিবর্তে মোবাইল ফোনে গেমস খেলতেই সময় পার হয়ে যায়। শিশুরা এখন মাঠে খেলার পরিবর্তে মোবাইল ফোনের কয়েক ইঞ্চির টার্চ স্ক্রিনটাকে বানিয়ে ফেলছে খেলার মাঠ। শুধু শহরেই নয়, গ্রামগঞ্জেও এর প্রভাব ব্যাপক। পাবজি, ফ্রি ফায়ার এই ধরনের খেলার নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে শিশুরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তানের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার অর্থ হলো, এক বোতল মদ কিংবা এক গ্রাম কোকেন তুলে দেওয়া। অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে বাধাগ্রস্ত হয় শিশুদের মানসিক বিকাশ। মোবাইল ফোনের বিকিরণ থেকে চোখের নানা রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। আজকাল শিশুরা কোনো বায়না ধরলে তাদের হাতে স্মার্ট ফোন দিচ্ছেন অনেকেই। কার্টুন দেখা, গেমস খেলায় কেটে যাচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। গেইম খেলার জন্য এমবি কেনার টাকা না দেওয়ায় আত্মহত্যার খবর পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। তাহলে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠছে মোবাইল গেইম! এটা কি শুধুই মোবাইল গেইম নাকি নেশা? এই ধরনের গেইম নিষিদ্ধ করা হোক। পদক্ষেপ নেওয়া হোক শিশুদের গেইম আসক্তি রোধ করতে। এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতনতা কাম্য।
মোছা. জেলি খাতুন
রসুলপুর, কুড়িগ্রাম
