স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভার বর্তমান মেয়র এ কে এম আতাউর রহমান খানের প্রধান উপদেষ্টা ও কাকনহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান আতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গতকাল বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর থানার শিবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে আতাউরকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রতিটি ৫০ কেজি ওজনের সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের সিলমোহরকৃত ৪০০ বস্তা গম কালোবাজারির মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান। আজ বৃহস্পতিবার আতাকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ৯ মে রাজশাহীর কাঁকনহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর কুমদপুর দীঘিপাড়ায় আতাউর রহমান আতার বাড়ির প্রধান ফকট থেকে কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ চারটি ট্রলিসহ সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের সিলমোহরকৃত ৪০০ বস্তা গম উদ্ধার করেন। আতাউরের সপক্ষে তার প্রতিনিধি কাঁকনহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোর্তুজা শেখ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নবাগত কাউন্সিলর ও পৌর ১ নম্বর প্যানেল মেয়র আল মামুন, বর্তমান পৌর মেয়রের ব্যক্তিগত সেক্রেটারি চয়ন ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি খাত্তাব পুলিশের নিকট একটি ভুয়া বিল ভাউচার দাখিল করেন। সেগুলো বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় আতাউরকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ১০-১২ বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী থানায় মামলা করা হয়। তবে মামলার আগেই আতা ও অন্যান্য আসামিরা পালিয়ে যান।
কাঁকনহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দুর্নীতি ও কালোবাজারির জন্য আতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এই কাজের সঙ্গে কারা কারা সম্পৃক্ত রয়েছেন দল তাদের জন্য ব্যবস্থা নেবেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুর রহমান, পৌর কৃষক দলের সভাপতি ও ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কল্লোল হোসেন ও পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং পৌরবাসী বলেন, আতাউর এর আগে সরকারি চাল কালোবাজারি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন।
