শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হোম সিরিজে ২২ গজে দারুণ সময় কাটছে তাদের। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ দলকে টানছেন মুশফিকুর রহিম। বোলিংয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম বার ওয়ানডে সিরিজ জয়ে মুশফিক-মিরাজের দাপুটে নৈপুণ্যের অবদান অনেক। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কারও পেলেন তারা।
গতকাল প্রকাশিত আইসিসির ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে এসেছেন মুশফিক-মিরাজ। বোলারদের র্যাংকিংয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন মিরাজ। উন্নতি হয়েছে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানেরও। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে চার ধাপ এগিয়ে মুশফিক আছেন ১৪ নম্বরে। আর অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন সাকিব আল হাসান।
হোম সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৩০ রানে চারটি, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৮ রানে তিনটি উইকেট নেন মিরাজ। র্যাংকিংয়ের পাঁচে থেকে সিরিজ শুরু করা এ অফস্পিনার দুই ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে তিন ধাপ এগিয়েছেন। দুই নম্বরে আসা মিরাজের রেটিং পয়েন্ট ৭২৫। ১২ পয়েন্ট এগিয়ে থাকা ট্রেন্ট বোল্ট শীর্ষে আছেন।
এর আগে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে র্যাংকিংয়ের সেরা দুইয়ে উঠেছিলেন দুই জন। ২০০৯ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সাকিব শীর্ষস্থানে, ২০১০ সালে আব্দুর রাজ্জাক দুই নম্বরে উঠেছিলেন। তবে রেটিং পয়েন্টের হিসেবে দেশের ইতিহাসে ওয়ানডের সেরা বোলার মিরাজ। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রেটিং পয়েন্ট এখন তার। এর আগে সর্বোচ্চ ৭১৭ ছিল সাকিবের, ২০০৯ সালে।
দুই ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে ৮ ধাপ উন্নতি হয়েছে মুস্তাফিজের। তার অবস্থান এখন ৯-এ। তার সেরা সাফল্য ছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পাঁচে ওঠা।
ব্যাটিংয়ে দারুণ ফর্মে আছেন মুশফিক। দুই ম্যাচে ২০৯ রান (৮৪, ১২৫) করে র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবার ওপরে তিনি। ১৪ নম্বরে থাকা মুশফিকের রেটিং ৭৩৯। যা বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে তামিমের ৭৩৭ ছিল সেরা রেটিং পয়েন্ট। মাহমুদউল্লাহ ৩৮তম স্থানে উঠে এসেছেন। ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের শীর্ষে পাকিস্তানের বাবর আজম। সেরা পাঁচে আছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রস টেলর ও অ্যারন ফিঞ্চ।
