চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতফেরত ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের করোনা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট কি না, তা জানার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো আসেনি। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় বেনাপোল দিয়ে ভারতফেরত একজন করোনা রোগী মারা গেছে। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, ১৭ মে থেকে দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে যাত্রী আসা শুরু হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত এ সীমান্তপথে ৬৮১ জন ভারত থেকে এসেছে। এপারে আসার পর তাদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। করোনায় আক্রান্তদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অন্য করোনায় আক্রান্ত রোগী থেকে আলাদা রেখে চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের করোনার সংক্রমণ নেই, তাদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় কোয়ারেন্টাইনে স্থান সংকুলান না হওয়ায় কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে ঐ সব স্থানেও জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে বলে সিভিল সার্জন জানান। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় বেনাপোল দিয়ে ভারতফেরত একজন করোনা রোগী মারা গেছে বলেও তিনি জানান। চুয়াডাঙ্গা একটি সীমান্তবর্তী জেলা। এ জেলার বিপরীতে ভারতের নদীয়া জেলা। নদীয়ায় করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বলে ভারতীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে জানা গেছে। বিজিবির চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মো. খালেকুজ্জামান বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাতায়াত হচ্ছে না।
