ঘিওর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
ঘিওরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে এক স্কুলছাত্রী। উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের জাবরা রাজবংশী পাড়ায় প্রেমিক প্রদীপ রাজবংশীর বাড়িতে বুধবার সন্ধ্যার দিকে অবস্থান নিয়েছিল সে। ঐদিন রাত এবং পরের দিন অনেক বোঝানোর পরও সে তার অবস্থান থেকে সরেনি। তার এক কথা, ‘হয় প্রদীপের সঙ্গে তার বিয়ে হবে, অন্যথায় আত্মহত্যা করব।’ প্রেমিক প্রদীপ রাজবংশী ঐ গ্রামের ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর ছেলে। অনশনকারীও একই গ্রামের বাসিন্দা। ঐ ছাত্রী জানায়, দুই বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তার জেরে প্রেমিক প্রদীপের সঙ্গে তার একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক হয়। সম্প্রতি বিষয়টি পরিবার জেনে যায়। এরপর থেকেই প্রদীপকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল সে। তাতে প্রদীপ রাজি থাকলেও বাদ সাধে দুই পরিবার। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে ছেলে ও মেয়েকে বিয়ের জন্য রায় দেওয়া হয়। কিন্তু উক্ত রায় মেয়ের পিতা না মেনে মেয়েকে তার বাড়ি নিয়ে যায়। ঘটনার দুই দিন পর মেয়ের বাবা ঘিওর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।
এ বিষয়ে ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব জানান, মেয়ের পিতা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলা করলে পুলিশ শুক্রবার রাতে প্রদীপ রাজবংশীকে আটক করে। গতকাল তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
