স্পোর্টস রিপোর্টার
বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই খেলতে বাংলাদেশ ফুটবল দল এখন কাতারের দোহায়। কাতার সরকারনির্ধারিত হোটেলে অবস্থান করছে। জানা গেছে, এখানে চারটি ভবন। কাতারের বাইরে হতে আসা দলগুলো পৃথক পৃথক ভবনে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ ফুটবল দল আজ মূল হোটেলে উঠবে। সেখানেও সব দল একই হোটেলে অবস্থান করবে, কঠোর নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে।
এর আগে খেলোয়াড়দের কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। সবাই নেগেটিভ বলে বাফুফে হতে জানানো হয়েছে।
গতকাল জামাল ভুঁইয়ারা হোটেলেই স্ট্রেচিং করে। খেলোয়াড়দের নিয়ে ফিটনেস কোচ এবং অন্যরা ব্যস্ত ছিলেন। মাঠের অনুশীলনে আজ ঝাঁপাবেন খেলোয়াড়রা।
বিশ্বকাপ ফুটবল বাছাইয়ে গ্রুপে নিজেদের শেষ তিন ম্যাচ খেলতে গেছে বাংলাদেশ। আগামী ৩ জুন বাংলাদেশের ম্যাচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ৭ জুন ভারত এবং ১৫ জুন ওমানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলে ঢাকায় ফিরবেন খেলোয়াড়রা। এই তিন দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলেছে আগেই। হোম বাকি ছিল, বাংলাদেশে হওয়ার কথাও ছিল। কিন্তু কাতার এই ম্যাচ তিনটি নানান কারণ দেখিয়ে তাদের দেশে নিয়ে যায়। এমনকি এই তিন ম্যাচ নেওয়ার আগে ভরা করোনার মধ্যে বাংলাদেশকে কাতারে নিয়ে তাদের ম্যাচ খেলিয়ে ছিল। বাকি তিন ম্যাচ বাংলাদেশে হওয়ার কথা থাকলেও আবার সেই কাতারের সাংগঠনিক দক্ষতায় বাফুফে দল পাঠাতে বাধ্য হয়। যে কারণে ঘরের খেলা এখন পরের মাঠে।
এএফসি কাপে বসুন্ধরা কিংসের গ্রুপের খেলা মালদ্বীপে নেওয়া হয়েছিল। আর করোনাসহ নানান কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা কাতারে নেওয়া হলো। আসলে এসবের আড়ালে কাতারের ফুটবল ইজেম ধরে রাখতে এই খেলাগুলো আয়োজনে কাতারের প্রয়োজনটা বেশি ছিল। সেটা আদায় করে নিয়েছে তারা।
অথচ বাংলাদেশের খেলা বাংলাদেশে হলে বরং বাংলার ফুটবলাররা হোম সুবিধা পেত। চেনা মাঠে চেনা পরিবেশে সুবিধা থাকেই। কিন্তু এএফসি ফিফার অনুরোধে কাতারের আবদার মেটাতে বাংলাদেশের হোম সুবিধা বলি দিতে হয়েছে।
