কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার ৯ সমর্থক গুলিবিদ্ধ

আপডেট : ২৯ মে ২০২১, ২৩:৩৮

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ৯ জন সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে অভিযুক্ত প্রতিপক্ষ তারই ভাগনে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তারা নিজেরাই মিছিল করতে এসে সংঘর্ষ লিপ্ত হয়। তারা তাদের নিজেদের গুলিতে আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর সবাইকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালের ডাক্তার আবু নাছের জানান, এক জনকে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছররা গুলিতে আহতরা হলেন—পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), সামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ (৪০), আবদুল লতিফ দুলালের ছেলে রুহুল আমিন সানি (৩০), মোস্তফা মেস্তরীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এনামুল হকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭), চরকাঁকড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে দিদার (৩৫), মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২), এমদাদুল হকের ছেলে সওশাদ (৩৫)।

পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বকুল জানান, কাদের মির্জার অনুসারীরা একত্রিত হয়ে পৌরসভায় যাওয়ার জন্য জড়ো হচ্ছিল। এ সময় প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর সমর্থকরা বেপরোয়া গুলি করে তাদের লোকজনকে আহত করে। তবে মঞ্জু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার কোনো লোক বাসা থেকে বাইর হয় নাই। কাদের মির্জার লোকজন মিছিল করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে শুনেছি।’

 কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাদের মির্জার অনুসারীদের মিছিল করতে চাইলে প্রতিপক্ষরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা রাত ৯টায় পৌরসভা নিজ কার্যালয় থেকে তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের আইডি থেকে লাইভে এসে ইউএনওসহ বেশ কয়েক জন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।