আসমা ও আব্দুর রহমান পরিকল্পিতভাবে আজহারকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ছয় টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক মিয়া। রাজধানীর দক্ষিণখানে আজহার হত্যা মামলায় দুই আসামি স্ত্রী আসমা ও ইমাম আব্দুর রহমান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল রবিবার বিকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের পৃথক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রথমে ইমাম আব্দুর রহমান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর আরেক ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে নিহত আজহারুলের স্ত্রী আসমা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আসমা ও আব্দুর রহমান পরিকল্পিতভাবে আজহারকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ছয় টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক মিয়া।
তিনি জানান, আসমা ও ইমামের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। তারই জের ধরে আজহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা।
আজিজুল হক মিয়া বলেন, নির্ধারিত রিমান্ড শেষ হওয়ার এক দিন আগেই রবিবার বিকালে ইমাম ও আসমা দুই জনই আজহার হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন আদালতের কাছে। আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে দক্ষিণখান থানার সরদারবাড়ি এলাকা থেকে পোশাককর্মী আজহারুলের ছয় টুকরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর র্যাব মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমান ও আজহারের স্ত্রী আসমাকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
