‘অকুল তুফানে নাইয়া কর পার’

আপডেট : ৩১ মে ২০২১, ০০:২৫

রাধারমণ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র বর্তমান করোনাকালীন সময়ে অনলাইনে আয়োজন করেছে ‘নাগরিক পল্লীগীতি’ শীর্ষক ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের। গতকাল রবিবার বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাউল, ভাটিয়ালি ও কীর্তন গান নিয়ে হাজির হয়েছিলেন শিল্পী মাহমুদুল হাসান ও নাসিমা শাহীন ফ্যান্সী। সঞ্চালনায় ছিলেন রাধারমণ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক শিল্পী ড. বিশ্বজিত্ রায়।  রাধারমণ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্রের ফেসবুক পেইজে প্রচারিত হয় অনুষ্ঠানটি।

বিশ্বজিত্ রায় বলেন, বাংলাগানের ধারায় লোকগান ঐতিহ্যগত ভাবেই প্রাচীন। সেই ধারাটি নাগরিক গীতিকবিদের আকৃষ্ট করে। প্রথমত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরেই বিশ্ব পরিমণ্ডলে পরিচিত এবং বাংলার লোককবির রচনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। পরবর্তী সময়ে এই ধারাটি রবীন্দ্রনাথসহ সব নাগরিক গীত রচয়িতাদের হাতে সুন্দর সুন্দর গানের সৃষ্টি হয়েছে। বিবর্তনে তা হয়ে ওঠে পল্লীগীতি বা পল্লীগান।

শিল্পী মাহমুদুল হাসান গেয়ে শোনান ‘অকুল তুফানে নাইয়া কর পার’, ‘পদ্মার ঢেউরে’, ‘নদীর নাম সই অঞ্জনা’, ‘বিজন গোঠে কে রাখাল’ এবং ‘ঝুম ঝুম ঝুমরা নাচ নেচে’। এরপর শিল্পী নাসিমা শাহীন ফ্যান্সী পরিবেশন করেন ‘আমি কুল ছেড়ে চলিলাম’, ‘কার বাঁশরী বাজিল’, ‘চোখ গেল চোখ গেল’, ‘সখি সাজায়ে রাখলো’ এবং ‘সখি সাপের মণি বুকে করে’।