কতটি ‘স’ মিলের বিপরীতে একটি নার্সারি?

আপডেট : ০১ জুন ২০২১, ২১:০৫

বনাঞ্চল ঘেরা প্রাচুর্যময় সবুজ যখন শিল্পাঞ্চল হলো তখন থেকেই শ্রীপুর বৃক্ষশূন্য হয়ে শ্রীহীন হতে শুরু করল। বর্তমানে গাজীপুরের বনাঞ্চল হুমকির মুখে। একটি অঞ্চলে যতগুলো ‘স’ মিল থাকবে তার চেয়ে বেশি নার্সারি থাকা একান্ত প্রয়োজন। মাওনা ফ্লাইওভারের পুরো নিচের অংশ কিছুদিন আগেও ছিল মূত্র ত্যাগ আর ময়লা ফেলার স্থান। এখনো বেশিরভাগ অংশই অপরিকল্পিত। কিছুদিন হলো ফ্লাইওভারের দক্ষিণ পাশে একটি নার্সারি গড়ে উঠেছে। ময়লা আর দুর্গন্ধ থেকে বাঁচার জন্য উদ্যোগটি উদাহরণযোগ্য।

একটি অঞ্চলে যতগুলো ‘স’ মিল গড়ে ওঠে ততগুলো বা তার বেশি নার্সারি না থাকলে বনায়ন আর গাছ কাটার হার কীভাবে গণনার মধ্যে রাখা সম্ভব? বছরে গাজীপুরের শ্রীপুর অঞ্চলে কতগুলো গাছ কাটা হয় এবং বনায়ন হয় তার একটি গড় হিসেব থাকা দরকার। এই হিসেব অনুযায়ী যদি দেখা যায় গাছ বেশি কাটা হচ্ছে তবে বনায়ন না করা পর্যন্ত গাছ কাটা বন্ধের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

যেসব জায়গা জনবহুল এবং পরিত্যক্ত বিশেষ করে বাজারের যে যে জায়গায় ময়লা ফেলা হয়, ফ্লাইওভারের নিচের জায়গা, যাত্রীছাউনি, রেল স্টেশনের প্লাটফর্মের নির্দিষ্ট জায়গা এবং প্রতিটি হাট ও বাজারে একটি করে নার্সারি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি। প্রতিটি হাটে একটি ‘স’ মিল থাকলেও একটি নার্সারি পাওয়া যায় না। একটি গাছ কিনলে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুই পক্ষেরই খাজনা দিতে হয়, অথচ কাঠ ভাঙালে খাজনা দিতে হয় এক পক্ষের। পুরো প্রক্রিয়াটিই বৃক্ষ নিধনের জন্য সহায়ক। সুতরাং যতগুলো ‘স’ মিল থাকবে তার চেয়ে বেশি নার্সারি গড়ে তুলতে হবে। এটাই সময়ের দাবি।

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর