মহামারির এই সংকটময় মুহূর্তে যখন দেশে দেশে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, করোনায় বিপর্যস্ত মানবজীবন, ঠিক সেই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে নিজের অর্থনৈতিক সক্ষমতা প্রমাণ করে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অন্যদেশকে ঋণ প্রদান করছে বাংলাদেশ। মুদ্রা বিনিময় চুক্তির আওতায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে কমপক্ষে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ শ্রীলঙ্কাকে দিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। গত মার্চে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষকে উপলক্ষ্য করে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে বাংলাদেশ সফর করেন। সে সময় দু’পক্ষের মধ্যে এই ঋণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এমন এক সময়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়ালো যখন অর্থনৈতিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশ চরম সংকটে রয়েছে।
পর্যটন নির্ভর শ্রীলঙ্কা করোনার কারণে এখন বিপর্যস্ত, এর উপর আছে বৈদেশিক ঋণের বোঝা। করোনার আগ থেকেই এক গভীর সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো শ্রীলংকা, ২০১৯ সালে ইস্টার সানডের সময় শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলা ও তাতে শত শত মানুষের প্রাণহানির পর ভেঙে পরে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। এরপরেই আসে বিশ্বব্যাপী মহামারি কোভিড-১৯। একদিকে ঋণ শোধের ব্যাপক চাপ অন্যদিকে করোনার কারণে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি এই দুই মিলে দেশটিতে দেখা দেয় মারাত্মক অর্থ সংকট। তাই অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে এই অর্থ সহায়তা পাওয়ায় দেশটির ঋণের চাপ কিছুটা হলেও কমবে এবং তা অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার করবে। আমরাও আশাবাদী দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি দ্রুতই তার মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠবে।
শুধু শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দেওয়াই নয় বরং করোনাকালীন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার 'নয়া টাইগার' হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ছোবলে বিপর্যস্ত ভারতের পাশে যে ৪০টি দেশ নানাভাবে সহায়তা দিয়েছে তার মধ্যে একটি বাংলাদেশ। গত ১৮ মে ঢাকা ভারতের কাছে বিভিন্ন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আর কোভিড সুরক্ষা সরঞ্জামের ২ হাজার ৬৭২ বক্স হস্তান্তর করে। এর আগে গত ৬ মে ঢাকা করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ রেমডেসিভিরের ১০ হাজার ডোজ ভারতকে সহায়তা হিসেবে দেয়। শুধু ভারত নয় কিছুদিন আগে করোনা সরঞ্জামাদি দিয়ে নেপালের পাশেও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। আর সাম্প্রতিক আসলো এই ঋণ প্রদানের ঘোষণা যা বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিং পয়েন্ট অর্জনে সহায়তা করবে। শ্রীলঙ্কাকে এই ঋণ প্রদানের চুক্তি ও দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশের ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম একদিকে যেমন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে অন্যদিকে মহামারিতে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে বিশ্ব দরবারে আরেকবার প্রমাণ করেছে।
করোনাকালীন সময়ে যখন বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত সেখানে বাংলাদেশ তার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে। যেখানে প্রায় সকল দেশের জিডিপি মহামারিতে কমছে সেখানে বাংলাদেশের জিডিপি বাড়ছে। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে পৃথিবীর অন্য দেশ ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে না পারলেও বাংলাদেশ ঠিকই পেরেছে। অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকার ঠিকই দেখিয়েছে ৮ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি যা এক কথায় রেকর্ড। আর এই জিডিপি বৃদ্ধি সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেননা মাথাপিছু জিডিপি'র হিসাবে বাংলাদেশ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক পরাশক্তি ভারতকে টপকে গেছে। যেখানে মাত্র পাঁচ বছর আগেও ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বাংলাদেশের তুলনায় ২৫ শতাংশ এগিয়ে ছিল। তবে করোনাকালীন ২০২০ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে যে বাংলাদেশ ভারতকে টপকে যাবে তার একটি পূর্ভাবাস দিয়েছিলো আইএমএফ, ঘটেছেও তাই। ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে পেছনে ফেলে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাবে, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলার হয়েছে যা বাংলাদেশি মুদ্রায় তা বছরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। অন্যদিকে, ভারতের গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯৪৭ ডলার। বাংলাদেশির মুদ্রায় যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৭০ টাকা, যা বাংলাদেশের চেয়ে ২৮০ ডলার কম। অর্থাৎ ভারতের একজন নাগরিকের চেয়ে বাংলাদেশের একজন নাগরিক বছরে ২৩ হাজার ৭৫৩ টাকা বেশি আয় করেন।

শুধু জিডিপি না বরং অর্থনীতি ও মানব উন্নয়নসূচকের প্রায় প্রতিটি ধাপে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের চাইতে এগিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুধা নিবারণের ক্ষেত্রে তুলনামূলক আলোচনায় বাংলাদেশ এর অবস্থানের ভারত-পাকিস্তানের চাইতে অনেক ভালো। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সের ২০২০ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১০৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৫তম, অন্যদিকে এই সূচকে ভারতের অবস্থান ৯৪ তম ও পাকিস্তানের ৮৮!
জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইনডেক্সের দিকে দৃষ্টি দিলেও বাংলাদেশের অবস্থান যে শক্ত তা বুঝা যায়। গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২০ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হলো বাংলাদেশ। এই রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান আছে ৫০ এ, অপরদিকে ভারত ১১২ তম আর পাকিস্তান আছে ১৫১ তে! শ্রমশক্তিতে বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণের হার ৩২ শতাংশ, আর ভারতে তা মাত্র ২০ দশমিক ৩ শতাংশ। সার্বিক বিষয়াদি দেখলে এটা স্পষ্ট যে, নানাবিধ সমস্যা বাংলাদেশের থাকলেও নারী অধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে অবস্থান করছে।
বাংলাদেশের এই উন্নয়ন এখন বিশ্ব মিডিয়ার আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত গণমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে, একমাত্র ক্রিকেট বাদে প্রায় সবক্ষেত্রে ভারতকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। সেখানে তুলনামূলক আলোচনায় বাংলাদেশের উন্নয়নের নানাদিক তুলে ধরা হয়েছে। তুলনামূলক সেই বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিশুমৃত্যুতে ভারতে প্রতি হাজারে ৮৮ জন মারা যাচ্ছে অপরদিকে বাংলাদেশে ৮৪ জন। বাংলাদেশের শিশুদের ১০০ জনের মধ্যে ৩৩ জন ম্যালনিউট্রেশনে ভুগছে অপরদিকে ভারতে ৩৬ জন ম্যালনিউট্রেশনের শিকার। বাংলাদেশীদের গড় আয়ু ৭২ বছর অপরদিকে ভারতীয়দের ৬৯ বছর। অনিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের কারণে বাংলাদেশে প্রতি লাখে ১১.৯ জন মৃত্যুবরণ করছে আর ভারতে ১৮.৬ জন। বাংলাদেশের ৯৮% ঘরে টয়লেট আছে ভারতের ৯৭%। বাংলাদেশের ৮০% স্কুলে টয়লেট আছে ভারতে ৭৩%। ভারতের বেকারত্বের হার ৮.৪% আর বাংলাদেশের ৪.১৯%। অর্থাৎ বাংলাদেশ যে এখন উন্নয়নের রোল মডেল তা পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে।
বাংলাদেশ যে আজ উন্নয়নের নানাদিক থেকে বিশ্ব গণমাধ্যমে শিরোনামে পরিণত হচ্ছে তার মূল কারণ হলো সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর জাতির জনকের কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে এক নতুন যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ স্লোগানকে ধারণ করে তথ্যপ্রযুক্তিতে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করে। সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে যার মধ্যে আছে ই-গভার্ন্যান্স পদ্ধতি চালু করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার ও পাঠ্যপুস্তকে তা অন্তর্ভুক্তি, তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পকারখানা গঠন, জেলায় জেলায় আইটি পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাসহ নানাবিধ কার্যক্রম। সরকারী নানা পদক্ষেপের ফলে ইতোমধ্যেই সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগ এসেছে বাংলাদেশে। এমনকি সর্বশেষ আমরা দেখেছি মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রেরণ করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নও এখন চোখে পরার মতো। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু তৈরি করে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বিশ্ব এখন বাংলাদেশ বন্দনায়রত। অপরদিকে বাংলাদেশ এখন বৈদ্যুতিক রেলের যুগে প্রবেশ করেছে মেট্রোরেলের মাধ্যম। পাতাল রেলের কাজও শীঘ্রই শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিদ্যুতে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ লাল সবুজের বাংলাদেশ, রূপপুরে হচ্ছে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাইরেও বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যাপক সুযোগ বৃদ্ধি করবে।
সামরিক শক্তিতেও বাংলাদেশ এখন আগের অবস্থানে নেই। ২০১৭ সালে নবযাত্রা ও জয়যাত্রা নামে দুটো সাবমেরিন চীন থেকে নিয়েছে বাংলাদেশ। সমুদ্রে নিজেদের অধিকারের লক্ষ্যে এই সাবমেরিন কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। আরো নানাদিকে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করছে বাংলাদেশ, আর তাই ২০১৮ সালের গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারে যেখানে বিশ্বে বাংলাদেশের সামরিক শক্তিতে অবস্থান ছিলো ৫৬তম সেখানে ২০২১ সালের রিপোর্টে বাংলাদেশ ১১ ধাপ এগিয়ে ৪৫তম স্থানে উঠে এসেছে।
কৌশলনির্ভর কূটনীতিকে পুঁজি করে বাংলাদেশ একইসঙ্গে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক উন্নয়ন করে চলেছে। বাংলাদেশকে কতোটুকু গুরুত্ব দিচ্ছে চীন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা সাম্প্রতিক কোয়াডের যোগদানের বিষয়ের দিকে লক্ষ্য করলেই আমরা দেখতে পাই। ব্রেক্সিট পরর্বতী বাস্তবতায় যুক্তরাজ্যও তাদের মিত্র জাপানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন করে ভেবে দেখছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যুক্তরাজ্যভিত্তিক অনেক নতুন ক্রেতা পাচ্ছে। ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনা ও দক্ষ কূটনীতির কারণে বাংলাদেশ এখন নিজের আলাদা একটা অবস্থান তৈরি করেছে। তাই বাংলাদেশকে নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হচ্ছে সবার।
আজ বাংলাদেশের সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত। তাইতো বিনা দ্বিধায় গত ৩১ মার্চ বিশ্বব্যাংক ঘোষণা দিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ-ভারত। লকডাউন ও অন্যান্য বিধিনিষেধের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাফল্য এবং আর্থিক নীতির সমন্বয়কে এখানে বড় করে দেখা হচ্ছে আর এক্ষেত্রে ভারতকে টপকে বাংলাদেশ শীর্ষে অবস্থান করছে। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারিতে যখন প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোর ধরাশায়ী অবস্থা, তখন একসময়ের ‘বটমলেস বাস্কেট’ খ্যাত বাংলাদেশ তার অর্থনীতিকে ক্রমেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে একের পর এক সাফল্যের শিরোনামে পরিণত হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ইকোনোমিক পাওয়ার হাউসে পরিণত হবে বাংলাদেশ। আর এতোকিছু সম্ভব হচ্ছে সরকারের দূরদর্শী নীতির কারণে। বাংলাদেশ আজ শুধুই ঋণ গ্রহীতা দেশ না বরং ঋণদাতা দেশ হিসেবেও নিজের নাম যুক্ত করেছে। ঘাত-প্রতিঘাত, শত বাধা পেরিয়ে এই বাংলাদেশ এখন দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এগিয়ে চলবে।
লেখক: তরুণ রাজনীতিক ও সমাজকর্মী।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
