তিব্বত নিয়ে চীনের দুশ্চিন্তা শেষই হচ্ছে না

আপডেট : ০২ জুন ২০২১, ১৯:০১

তিব্বতে দালাই লামার জনপ্রিয়তা নিয়ে দীর্ঘদিন উদ্বিগ্ন ছিল চীন। এই অঞ্চল চীনের জন্য এক আন্তর্জাতিক দুর্বলতাও বটে। ২০১১ সালে সব রাজনৈতিক দায়িত্ব ত্যাগ করেন দালাই লামা। এরপর থেকে ভারত কেন্দ্রিক সেন্ট্রাল তিব্বত এডমিনিস্ট্রেশন নামে পরিচিত প্রবাসী সরকার চীনের জন্য আরেক ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দ্য ইন্টারপ্রেটারের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই এডমিনিস্ট্রেশনের প্রেসিডেন্ট পদ সিকিয়ং নামে পরিচিত। গত ২৭ মে নতুন সিকিয়ং হিসেবে শপথ নিয়েছেন পেম্পা তরজিং। গত জানুয়ারি ও এপ্রিলে দুই ধাপে সিকিয়ং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ২৬টি দেশ থেকে ৬৪ হাজার তিব্বতি ভোট দিয়েছেন।

শপথ গ্রহণের পর চীন-তিব্বত সংলাপ পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পেম্পা। পাশাপাশি তিনি মধ্যপন্থা অনুসরণের কথাও বলেছেন। তবে তাকে মনে রাখতে হবে এটা তিব্বতি যুবকদের মধ্যে স্বাধীনতার ক্রমবর্ধমান আকাঙ্ক্ষা অথবা আর্থিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দিতে চাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তবে প্রবাসী তিব্বত সরকারের কন্ঠস্বর আরো তীব্র হওয়ার ঝুঁকি দেখছে চীন সরকার। বিশেষ করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দিকে বিশ্বের দৃষ্টি ফেরানোর জন্য প্রবাসী সরকারের চেষ্টাকে ভয় করছে চীন। আর এখন ক্রমবর্ধমান যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তিব্বতের সংকটকে নতুন গতি দিচ্ছে।

ইত্তেফাক/এসএ