কক্সবাজারের সঙ্গে তুলনা করলে ভাসানচর বেশ ভালো এবং সেখানে রোহিঙ্গারা যাতে সম্মানের সঙ্গে অবস্থান করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এগিয়ে আসা উচিত। সফররত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন। গতকাল বুধবার ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা এই প্রশংসা করেন।
ইউএনএইচসিআরের কার্যক্রম পরিচালনা বিষয়ক সহকারী হাইকমিশনার রাউফ মাজাও বলেন, কক্সবাজারের সঙ্গে তুলনা করলে ভাসানচর বেশ ভালো। সেখানে সরকার বিনিয়োগ করেছে, যা গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি দ্বীপে বাস করলে বিছিন্নতাবোধ কাজ করে। সে কারণে তাদের জন্য অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, সবার চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো।
জাতিসংঘ খুব শিগিগরই ভাসানচরে যুক্ত হচ্ছে কি না জানতে চাইলে মাজাও বলেন, এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমরা সব সময় সরকারের সঙ্গে কাজ করি। কক্সবাজারসহ ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় থাকব।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার মাজাও এবং ইউএনএইচসিআরের সুরক্ষা বিষয়ক সহকারী হাইকমিশনার গিলিয়ান ট্রিগস ভাসানচর পরিদর্শনে যান। সেখানে তখন কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গা তাদের সামনে বিভিন্ন দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আমরা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা করেছি। চার বছর ধরে তারা বাংলাদেশে রয়েছে। তাদের মধ্যে হতাশা কাজ করছে। তাদের বিক্ষোভেই এর প্রতিফলন দেখা গেছে। আমরা তাদের (জাতিসংঘ কর্মকর্তা) বলেছি, রাখাইনে জোর দেন এবং সেখানে বিভিন্ন প্রকল্প রোহিঙ্গাদের দেখান, যাতে তারা ফেরত যেতে উত্সাহিত হয়।
