জনপ্রিয় সবজি। সবুজ রঙের ফলে কাঁঠালের মতো গায়ে কাঁটা থাকে বলে অনেকে একে ‘ছোট কাঁঠাল’ বলে থাকে! কাঁকরোল তরকারি, ভাজি বা সেদ্ধ করে ভর্তা হিসেবে খাওয়া যায়। তবে ভর্তা খেতে হলে পরিপক্ব হওয়ার আগেই সংগ্রহ করতে হবে।
কাঁকরোলের কন্দমূল থাকে এবং এর সাহায্যে মূলত বংশবিস্তার করে। পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ এ সবজিতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ক্যারোটিন। এতে অন্যান্য সবজির তুলনায় বেশি পরিমাণে আমিষ থাকে, যা মানুষের দৈহিক গঠনের জন্য খুবই দরকারি। কাঁকরোল ভিটামিন বি ও সি-র ভালো উত্স, যা কোষের গঠন ও নতুন কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে। ফলে স্নায়ুবিক ত্রুটি দেখা দেয় না।
কাঁকরোলের বেশ কয়েকটি জাত রয়েছে। যেমন আসামি, মণিপুরী, মুকন্দপুরী, মধুপুরী ইত্যাদি। আকার, আকৃতি ও বর্ণ এবং নরম কাঁটার বৈশিষ্ট্য দ্বারা এসব জাত শনাক্ত করা যায়। চারা রোপণের ৮০-৯০ দিনের মধ্যেই এর ফলন পাওয়া সম্ভব। হেক্টরপ্রতি উত্পাদন ভালো হয বলে আজকাল অনেকেই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাঁকরোলের চাষ করছেন।
মো. রেদোয়ান হোসেন
