সমকালীন

আমের বিপণন

আপডেট : ০৩ জুন ২০২১, ২০:৫৮

করোনার কারণে সবকিছুই বিপর্যস্ত। বিশেষ করে আম উত্পাদন হয় এমন অঞ্চলগুলো বেশি হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক আমবাগানের মালিক ঋণ নিয়ে নিয়ে বাগান করেছে। অনেকেই লোকসান হলেও কম দামে বাগান বিক্রি করে দিয়েছেন। যদি যথাসময়ে আম সারা দেশে পৌঁছানো না যায় তবে আমের উত্পাদনের জন্য যাঁরা ঋণগ্রস্ত ছিলেন তাঁরা যেমন বিপদে পড়বেন, তেমনি আমের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে মানুষ।

অনেকেই মনে করছেন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের আম খেলে করোনার ঝুঁকি বাড়তে পারে! কিন্তু আম খেলে যে করোনার ঝুঁকি থাকে না এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলে দেওয়া প্রয়োজন। কোন খাবারের সঙ্গে করোনা ছড়ানোর কোনো প্রমাণ আছে বা নেই সে বিষয়গুলো স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ঘোষণা আকারে আসা উচিত।

ফলের সময়ে বাংলাদেশের ফলগুলো ঠিকভাবে কেউ যদি খায় তবে সব ধরনের রোগের ঝুঁকিই কমে যেতে পারে। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, জামরুল, আনারসসহ সমস্ত ফলের কম্বিনেশনে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সাতক্ষীরাতেই ১৪০-১৫০ কোটি টাকার আম বিক্রি হওয়ার কথা। এর সঙ্গে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সব এলাকার আমবাগানের আম বিদেশেও রপ্তানির কথা রয়েছে। কিন্তু লকডাউন ও করোনার কারণে এই বিপণন ব্যাহত হলে অর্থনৈতিকব্যবস্থায় তার প্রভাব পড়া বিচিত্র নয়।

আমের বাজারগুলো স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে চালানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। সামাজিক দূরত্ব মেনে ও মাস্ক পরে বাজার চালানো যায়। স্বাস্থ্যগত দিক ঠিক রেখে নির্দিষ্ট পরিবহনে করে আম সারা দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। 

সাঈদ চৌধুরী