প্রায় নব্বই শতাংশ গরু কৃষক এবং খামারি বাজার থেকে কিনে লালনপালন করে কোরবানির উপযোগী করে থাকেন। স্থানীয় গরুর হাট দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চার-পাঁচ ঘণ্টা জমজমাট থাকে। একটি গরু কিনলে শতকরা পাঁচ টাকা হারে খাজনা দিতে হয়। গরু দেড় লাখ টাকায় কেনা হলে খাজনা গুনতে হয় ৭৫০০ টাকা। একই গরু পাঁচ-ছয় মাস পর আবার ঈদের বাজারে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকায় বিক্রি হলে খাজনা দিতে হয় প্রায় ১৫০০০ টাকা। দুই বাজারে আট-দশ ঘণ্টা রাখার খাজনা ২০,০০০ টাকা হওয়া কতটা যৌক্তিক? সারা বছর গরু কেনাবেচায় খাজনার চিত্রটা প্রায় একই রকম। কখনো একটি গরু দুইয়ের অধিকবার কেনাবেচা হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মাংসের দামে এর প্রভাব পড়ে। এই যে অতিরিক্ত টাকা, এটা ক্রেতার পকেট থেকেই যায়! কিন্তু কৃষক এর এক টাকাও পান না। বাংলাদেশের কোনো কোনো অঞ্চলের বাজারে গরু প্রতি দুই থেকে তিন শ টাকাও খাজনা নেওয়া হয়। সরকারের কাছে আবেদন—দেশের সব বাজারে গরুপ্রতি খাজনা নির্ধারণ করা হোক।
জাকারিয়া স্বাধীন
পলাশ, নরসিংদী
