আবাহনীর দ্বিতীয় জয়

আপডেট : ০৩ জুন ২০২১, ২১:৪৮

ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে রান তুলতে সংগ্রাম করছিলেন লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ব্যাটসম্যানরা। শেষ দিকে তাই দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ছিল রূপগঞ্জ। এমন ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচেই রঙ ছড়ালেন আলাউদ্দিন বাবু। ব্রাদার্সের এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার গতকাল ইনিংসের শেষ দিকে হ্যাটট্রিকই করে বসেন।

টি-২০-তে বাংলাদেশের বোলারদের এটি ষষ্ঠ হ্যাটট্রিক। আলাউদ্দিন বাবু হ্যাটট্রিক করা পঞ্চম বোলার। এর আগে আল-আমিন হোসেন দুই বার, আলিস আল ইসলাম, মানিক খান ও কামরুল ইসলাম রাব্বি হ্যাটট্রিক করেছিলেন।

আলাউদ্দিন বাবুর হ্যাটট্রিকের পর অধিনায়ক মিজানুর রহমানের হাফ সেঞ্চুরিতে গতকাল ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে ব্রাদার্স। মিরপুর স্টেডিয়ামে রূপগঞ্জকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে গোপীবাগের দলটি।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আবাহনীকে কঠিন সময় উপহার দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি ওল্ডডিওএইচএসের। শেষ পর্যন্ত ডিএল মেথডে ২২ রানে জিতেছে আবাহনী। লিগে এটি তাদের টানা দ্বিতীয় জয়। আবাহনীর জয়ে বড় ভূমিকা ছিল অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের। ইনিংসের শেষ দিকে ১৯ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। পরে বোলিংয়েও নিয়েছেন ১ উইকেট।

টসে হেরে আগে ব্যাট করা রূপগঞ্জের ওপেনার আজমীরকে ইনিংসের ষষ্ঠ বলেই ফেরান আলাউদ্দিন বাবু। ইনিংসের ১৮তম ওভারের শেষ দুই বলে মুক্তার আলী, সোহাগ গাজীকে ফেরত পাঠান তিনি। ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে নাবিল সামাদের উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আলাউদ্দিন বাবু। ২১ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। ১৯.১ ওভারে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় রূপগঞ্জের ইনিংস। নাঈম ইসলাম ৩৮, সাব্বির রহমান ২৩, সানজামুল ১৩, জাকের আলী ১২ রান করেন। পরে মিজানুরের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৫.৩ ওভারে ২ উইকেটে ১১২ রান তুলে জিতে যায় ব্রাদার্স। মিজানুর ৭৪, জুনায়েদ ২১ রান করেন। আলাউদ্দিন বাবু ম্যাচ সেরা হন।

ওল্ডডিওএইচএসের বিরুদ্ধে আবাহনীও ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারেনি। ৭২ রানে হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। মুশফিক, মোসাদ্দেকরা ব্যর্থ হলেও সাইফউদ্দিনের ব্যাটে লড়াইয়ের পুঁজি পায় দলটি। সাইফউদ্দিন দুটি চার, তিনটি ছক্কায় ৪০ রান করেন। আফিফ অপরাজিত ২৭, নাঈম শেখ ২৩, মুনিম শাহরিয়ার ১৬, শান্ত ১১ রান করেন। আবাহনী ১৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৫ রান তুলতেই নামে বৃষ্টি।

পরে ডিএল মেথডে ওল্ডডিওএইচসের টার্গেট ১৯ ওভারে ১৩৬ রান। সাইফউদ্দিন-আরাফাত সানিদের কৃপণ বোলিংয়ের সামনে ৩ উইকেটে ১১৩ রানের বেশি যেতে পারেনি দলটি। রাকিন ৪৩, ইমন ২০, জয় ১৫, রাফসান অপরাজিত ১৯, মোহাইমিনুল অপরাজিত ১০ রান করেন। সাইফউদ্দিন ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান।