ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন ছিল :আইসিএবি

আপডেট : ০৩ জুন ২০২১, ২২:০৯

বিদ্যমান মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার বোঝা হ্রাস করা উচিত ছিল। উেস কর বাড়লে পণ্য সরবরাহকারী এবং অবকাঠামো সংস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে উল্লেখ করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় আইসিএবি প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু উল্লেখ করেন, অর্থনীতির ওপর অব্যাহত মহামারির নেতিবাচক প্রভাবের কারণে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা প্রশংসনীয়, তবে এটি অর্জন করা চ্যালেঞ্জ।

কর প্রশাসনে শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং অটোমেশনে আরো বাজেট বরাদ্দ প্রত্যাশিত। চলমান কোভিড-১৯-এর কারণে দারিদ্র্য স্তরের নিচে নেমে আসা লোকের যথেষ্ট পরিমাণ বিবেচনা করে সামাজিক সুরক্ষা নেটের জন্য বাজেট বরাদ্দ অপ্রতুল। বড় শহরগুলোর বাইরের হাসপাতালে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, তবে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ক্ষেত্রে পূর্বশর্ত হ্রাস করা দরকার।