প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেট বাজারের প্রায় ৭২ শতাংশ দখলে থাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অথচ বিগত বছরের তুলনায় জনগণের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৯ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেট কার্যকর হলে সিগারেটের প্রকৃতমূল্য হ্রাস পাবে এবং তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী ধূমপানে উত্সাহিত হবে। একই সঙ্গে বিড়ি এবং বহুল ব্যবহূত জর্দা-গুলের দাম ও শুল্ক অপরিবর্তিত রাখায় নিম্ন আয়ের মানুষ বিশেষত নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে। প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হলে লাভবান হবে তামাক কোম্পানি, সরকার হারাবে বাড়তি রাজস্ব আয়ের সুযোগ। তাই নানাবিধ আর্থসামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতি অগ্রাহ্য করে তামাক ব্যবসা উত্সাহিত করার এই বাজেট প্রস্তাব সার্বিকভাবে চরম হতাশাজনক বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞার (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের বলেন, তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর কর ও দাম প্রস্তাবের কোনো প্রতিফলন নেই বাজেটে। তামাক কোম্পানিকে সুবিধা দিয়ে এই বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রস্তাব পাশ হলে আরেক দফা সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে তামাকজনিত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি। তাই চূড়ান্ত বাজেটে কর ও মূল্য প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আমার মনে হয় নীতিনির্ধারকদের কাছে তামাক করের বিষয়টা স্পষ্ট নয়। আমি আশা করবো আগামীতে নীতিনির্ধারকদের কাছে তামাক কর বৃদ্ধির বিষয়ে আমাদের অবস্থান আরো স্পষ্ট করতে পারব।
