নগর সংস্কৃতি

‘শিল্পের অন্বেষণে ক্লান্তিহীন পথিক ছিলেন কাইয়ুম চৌধুরী’

আপডেট : ০৪ জুন ২০২১, ০০:৩৯

প্রাবন্ধিক, শিল্প-সমালোচক মফিদুল হক বলেছেন, বাংলার শিল্প-দর্শনকে নবরূপ দিয়েছেন কাইয়ুম চৌধুরী। লোকজ বাংলার অনুষঙ্গকে মিলিয়ে দিয়েছেন শিল্প সৃষ্টির রূপরেখায়। তাকে বুঝতে হলে একই সঙ্গে তার জীবন, শিল্পীসত্তা ও সামাজিক অঙ্গীকারকে অবলোকন করতে হবে।

রাজনৈতিকভাবে সচেতন শিল্পী ছিলেন কাইয়ুম চৌধুরী। সেই অঙ্গীকার থেকেই  ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত হয়েছিলেন। তিনি  যেখানেই হাত দিয়েছেন সেখানেই সফল হয়েছেন। নিয়তির পথরেখায় বিদায় নিতে হয় সবাইকে। তবে শরীরী অস্তিত্ব না থাকলেও আপন সৃষ্টির সৌকর্যে বেঁচে থাকেন অনেকেই। মানুষটি বেঁচে না থাকলেও রয়ে যান তার সৃষ্টিশীলতায়।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত সৃজনশীল মানুষদের সৃষ্টিশীল জীবননির্ভর ধারাবাহিক স্মরণানুষ্ঠানের অংশ হিসেবে কাইয়ুম চৌধুরী স্মরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার একাডেমির ফেসবুক পেজে এ স্মরণসভা সম্প্রচারিত হয়।       

কাইয়ুম চৌধুরীকে নিবেদিত আলোচনায় অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও শিল্প-সমালোচক মফিদুল হক, শিল্পী ও শিল্প-সমালোচক শাওন আকন্দ, কাইয়ুম চৌধুরীর স্ত্রী তাহেরা খানম ও ছেলে মইনুল ইসলাম জাবের এবং একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক মাহবুবা করিম মিনি। সঞ্চালনা করেন শিল্পী জাহিদ মুস্তাফা।