গত ২১ মে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও এখনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি হামাস ও ইসরায়েল। এ বিষয়ে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন দলটির এক মুখপাত্র বলেছেন, পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে ইসরায়েলের ব্যবহারের ওপর। তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিস সফরকালে বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে এ কথা বলেছেন তিনি।
হামাস মুখপাত্র সামি আবু জুহরী বলেন, যুদ্ধবিরতির বিষয়টিকে যতদিন ইসরায়েল সম্মান করবে ততদিন তারাও এই পদক্ষেপকে সম্মান জানাবে। যদি ইসরায়েল এটি মেনে না নেয় তাহলে আমাদেরও এর মুখোমুখি হতে হবে।
ইসরায়েল চুক্তিতে সম্মান করে না অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিম তীরের শহরগুলোতে তারা প্রতিনিয়ত আক্রমণ চালাচ্ছে। এবং জেরুজালেমের স্থানীয় বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত হওয়ার হুমকি এখনো রয়েছে। সহিংসতার এমন ধারাবাহিকতা আরো একটি সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, টানা ১১ দিনের সহিংস সংঘাতে কেবল ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিহত হয়েছে ৩৯ নারী ও ৬৮ শিশুসহ অন্তত ২৭০ জন (অভিযোগ রয়েছে সংখ্যাটা ২৮৯ জন)। এ ছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় ২ হাজার জন ফিলিস্তিনি নাগরিক।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী দল হামাসের ছোড়া রকেটে ইসরায়েলে ২ শিশুসহ নিহতের সংখ্যা ১৩ জন।
ইত্তেফাক/টিএ
