চন্দ্রগ্রহণ

আপডেট : ০৫ জুন ২০২১, ২০:৩৭

গল্পকথায় পদার্থবিজ্ঞান

মাধব রায়, সহকারী অধ্যাপক (পদার্থবিজ্ঞান)

ব্লু বার্ড হাইস্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট

ভিয়েতনামের মানুষের বিশ্বাস, দানবাকৃতির ব্যাঙ চাঁদ কিংবা সূর্যকে খেয়ে ফেললে গ্রহণ হয়। কানাডার পশ্চিম উপকূলের কুয়াকুইতল আদিবাসীদের বিশ্বাস, স্বর্গের মুখ চন্দ্র ও সূর্যকে গিলে ফেললে চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ হয়। কুরিয়ানরা মনে করে, আগুনে কুকুর চন্দ্র ও সূর্যকে খেয়ে ফেলায় এই ঘটনা ঘটে। ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলসের গ্রিফিত অবজার্ভেটরি সংস্থার  পরিচালক ই সি ক্রুপ পৃথিবীর মানুষের এইসব ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে কাজ করেছেন।

মজার গল্পে সবাই খুশি হলো। কমলা বললেন— চল নিচে চলে যাই।

চন্দ্রা বলল— আরেকটু থাকো না মামি। চাঁদের গল্প তো অনেক মজার।

নীলকান্তবাবু বললেন— তোর মামি শুধু যাই যাই করে। চাঁদের মতো। চাঁদও কিন্তু প্রতি বছর তিন সেন্টিমিটার করে দূরে চলে যাচ্ছে।

কিন্তু পূর্ণগ্রহণ আর আংশিক গ্রহণ কীভাবে হয় মামা? আকাশের প্রশ্ন।

সূর্যের আলো পৃথিবীতে বাঁধা পেয়ে ছায়া এবং প্রচ্ছায়া সৃষ্টি করে। যাকে বলা হয় আম্ব্রা এবং পেনাম্ব্রা। পেনাম্ব্রার মধ্য দিয়ে গেলে চাঁদের আংশিক গ্রহণ, আর আম্ব্রার মধ্যদিয়ে গেলে পূর্ণগ্রহণ হয়।

চাঁদ আম্ব্রার মধ্যদিয়ে যাওয়ার ফলে পূর্ণগ্রহণ হয়। গত বুধবারে চাঁদ প্রচ্ছায়ায় প্রবেশ করে দুপুর ২.৩০মি.এ।

কিন্তু আমরা তো গ্রহণ দেখতে পারলাম না মামা, বলল আকাশ।

কীভাবে দেখব, আকাশ তো মেঘে ঢাকা। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস-এর প্রভাবে বৃষ্টি ঝরেছে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখতে হলে আরও দুটি বছর অপেক্ষা করতে হবে।

কমলা কমলা বললেন,অপেক্ষা করো।