প্রস্তাবিত বাজেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৫০ শতাংশ করায় দেশের বৃহত্ এবং স্বনামধন্য কোম্পানিগুলো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হবে বলে মনে করছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাজেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পাশাপাশি অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করহারও একই পরিমাণ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করহারের ব্যবধান আগের বারের সমান থাকবে।
বাজেটে অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ৩২.৫০ শতাংশ করহার কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এতে করে আগের বারের ন্যায় এবারও তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করহারের ব্যবধান ৭.৫০ শতাংশই থাকছে। অথচ ভালো ভালো কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আগ্রহী করে তোলার জন্য তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করহারের ব্যবধানে বাড়ানোর দাবি অনেক দিনের। সেটা অন্ততপক্ষে ১৫ শতাংশ করার দাবি। কিন্তু গতবারের বাজেটে সেটা উলটো কমিয়ে আনা হয়। ঐ বাজেটে করহারের ব্যবধান ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭.৫০ শতাংশ করা হয়।
ডিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার কমানোয় অভিনন্দন জানিয়েছে ডিএসই। ডিএসই মনে করে, এই বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের উন্নয়নমুখী বাজেট।
বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই জানায়, বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রস্তাবিত বাজেটে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্ট যথা :ট্রেজারি বন্ড, সুকুক, ডেরিভেটিভ, অপশনের লেনদেন চালু করা, এসএমই ও এটিবি বোর্ড চালু করা, ইটিএফ চালু করা, ওপেন ইন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত করা, শেয়ারবাজারের সহায়ক ইকোসিস্টেম ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন এবং স্টক এক্সচেঞ্জকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য অর্থমন্ত্রী যে সুদৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন—এজন্য ডিএসই অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে।
