কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের তহবিল খতিয়ে দেখবে জাপান সরকার

আপডেট : ০৭ জুন ২০২১, ২০:৪৩

বেইজিং অর্থায়নে পরিচালিত চীনের অন্যতম প্রচার হাতিয়ার কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের তহবিল খতিয়ে দেখবে জাপান কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন।সম্প্রতি  চীন ও জাপানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় জাপান সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ বছরের শেষের দিকে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে হোস্টিং করে এমন সংস্থাগুলিকে অর্থায়ন সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করতে বলবে জাপানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

guozijian, beijing, china - confucius institute stock pictures, royalty-free photos & images

জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ চীনের বাইরের শিক্ষার্থীদের চীনা ভাষা এবং সংস্কৃতি শেখার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্সটিটিউটগুলো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রশাসনও এ ব্যাপারে নড়েচড়ে বসেছে। 

জাপানের শিক্ষামন্ত্রী কোচি হাগিদা বলেছেন, "আমি সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা প্রকল্পের বিষয়ে স্বচ্ছতা বাড়াতে এ তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করছি।" বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে চীনপন্থি প্রচারণাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

Confucius statue in Qufu east railway station, as a symbol of Qufu, welcomes the tourists from domestic and abroad. Since 1994, the Temple of... 

হত বছর চীনের রাজনৈতিক প্রভাব পড়ছে এমন বিষয় অভিযোগ উঠার পর এই বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ও কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট বন্ধ ঘোষণা করে দেয়। রেডিও ফ্রান্সের ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়, তাইওয়ানের স্বাধীনতা, চীন কমিউনিস্ট পার্টি ও তিব্বতিদের মধ্যে মামলাসহ অনেক সংবেদনশীল বিষয় ক্লাসরুমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

চীনা সরকারের অর্থায়নে চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচারের লক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট তাদের কার্যক্রম চালায়, ২০০৪ সালে বিশ্বজুড়ে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠা শুরু করে।

ইত্তেফাক/এএইচপি