যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১০০রও বেশি বেবি স্কুইড এবং ৫ হাজারের মতো একটি আণুবীক্ষণিক প্রাণী আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পাঠাতে যাচ্ছে। স্পেস এক্সের ফ্যালকন নাইন রকেটে করে কাল বৃহস্পতিবার আরো কিছু যন্ত্রপাতির সঙ্গে তাদের মহাকাশে পাঠানো হবে। খবর বিবিসির
নাসার বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, মহাকাশ অভিযানের সময় নভোচারীদের দেহে কী ধরনের প্রভাব পড়ে এই পরীক্ষার মাধ্যমে সেটা জানা সম্ভব হবে। তারা বলছেন, জীবাণুর সঙ্গে প্রাণীর সম্পর্ক বুঝতেও এ গবেষণা সাহায্য করবে। নাসা বলছে, দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের সময় নভোচারীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার এই গবেষণা থেকে এ বিষয়ে ধারণা পাওয়া যেতে পেরে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাকাশে অভিযানের সময় নভোচারীদের দেহে যে ধরনের পরিবর্তন ঘটে সেটা দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। তারা বলছেন, এক জন নভোচারী ছয় মাস মহাকাশে থাকলে তার শরীরে যত পেশি আছে তার ৪০ শতাংশই ক্ষয় হয়ে যায়। নাসার এক জন বিজ্ঞানী জেমি ফস্টার, যিনি এ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত, তিনি বলছেন, মানুষ ও পশুপাখির পরিপাকতন্ত্র এবং রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা বিভিন্ন অণুজীবের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মহাকাশে যাওয়ার পর মানবদেহে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে সে বিষয়ে আমাদের পুরো ধারণা নেই। মহাকাশে সামুদ্রিক প্রাণী স্কুইড পাঠানোর এই মিশন থেকে সে বিষয়ে জানা যাবে।
