চর আড়ালিয়া-আমিরগঞ্জ সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

আপডেট : ০৯ জুন ২০২১, ২০:৪৭

প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা

মো. মোস্তফা খান, রায়পুরা (নরসিংদী) সংবাদদাতা

রায়পুরা উপজেলার চর আড়ালিয়া ইউনিয়ন ও আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের ওপর নির্মিত সেতুর দুই পাশে মাটি সরে গেছে। ফলে সেতুতে ওঠার রাস্তায় পিচ ঢালাই ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী নিয়ে যান চলাচল করছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। জানা যায়, এলজিইডির আওতাধীন এই সেতুটি প্রায় আট বছর আগে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। চর আড়ালিয়া ইউনিয়নবাসীর প্রধান সড়ক হওয়ায় এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসা যাওয়া করে। সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন এই সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। প্রায়ই গাড়ি উলটে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

অটোরিকশা চালক আহমদ বলেন, ‘চর আড়ালিয়া ও আমিরগঞ্জ ইউনিয়নসহ কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন এই সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করে। এই সেতুর ওপর দিয়ে গাড়ি ওঠানো ও নামানোর সময় প্রায়ই উলটে পড়ে যায়। ফলে আমরা গাড়ি চালাতে গিয়ে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছি। খলাপাড়া গ্রামের মুরাদ সরকার বলেন, সেতুর দুই পাশে মাটি সরে বড় ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় আমাদের চলাফেরা করতে অনেক সমস্যা হচ্ছে। দিন দিন ভাঙন বড় হচ্ছে। দ্রুত এটা সংস্কার প্রয়োজন।’

চর আড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরকার বলেন, ‘এই সেতুর ওপর দিয়ে হাজার মানুষ চলাচল করে। প্রায় প্রতিদিনই এই সেতুর ওপর দুর্ঘটনা ঘটছে। বর্তমানে এটি একটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কৃষকরা তাদের উত্পাদিত ফসল আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যায় পড়ছেন। এই সেতু সংস্কার না হওয়া এবং চর আড়ালিয়া ইউনিয়নে পাকা রাস্তা না থাকায় এই এলাকার উন্নয়ন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত সেতুটি সংস্কারের দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে রায়পুরা উপজেলা প্রকৌশলী শামিম ইকবাল মুন্না বলেন, ‘সেতুটি এলজিইডির আওতাধীন। এটি ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে আই আর ডিবি প্রকল্প থেকে নির্মাণ করা হয়েছে। এটির দীর্ঘ ১৪০ মিটার। এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ২ কোটি টাকার ওপরে। বর্তমান অর্থবছরে ‘আফনান প্রকল্প’ থেকে সেতুটি মেরামত করে দেওয়া হবে। আশা করছি, জুলাই মাসে কাজটি সম্পন্ন হবে।’