বাগাতিপাড়া (নাটোর) সংবাদদাতা
অনাবৃষ্টিতে বাগাতিপাড়ায় এবার আমের আকার ছোট, ফলন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এছাড়া নাটোর করোনার উচ্চঝুঁকির এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আম পাড়া এবং পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা। আমের ফলন কম হওয়ায় তারা লোকসানের শঙ্কাও করছেন। উপজেলার মালঞ্চী, তমালতলা, জামনগর ও বাঁশবাড়িয়ার আমের আড়তগুলোতে উঠতে শুরু করেছে নানা জাতের আম। এদিকে করোনার কারণে লকডাউনে বাইরে থেকে আম ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে না পারায় দাম নিয়ে শঙ্কিত বাগানমালিক ও আড়তদাররা। কৃষি অফিসের তথ্য অনুসারে, বাগাতিপাড়ায় আমবাগান রয়েছে ১ হাজার ২৫০ হেক্টরে। আর এ বছর উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬০ মেট্রিক টন। এরই মধ্যে আড়ত ও বাজারগুলোতে আসতে শুরু করেছে গোপালভোগ, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, খিরসাপাত, লক্ষণভোগসহ নানা জাতের আম। বাগানমালিক আজিজুর রহমান বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে উত্পাদন খরচ বাড়লেও আমের আকার ছোট হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি। আড়তদার আসমত আলী জানান, আমের বর্তমান বাজারমূল্যে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে। তবে বাজার জমে উঠলে লাভের আশা তার। করোনা পরিস্থিতির কারণে বাগাতিপাড়ায় লকডাউন দেওয়া হলেও আমের পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখার দাবি জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমরেজ আলী বলেন, কেমিক্যালমুক্ত আম ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিংসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছি। আবহাওয়ার কারণে আমের ফলন কম হলেও দাম ভালো পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
