করোনাকালে দেশে ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েন রেমিটেন্স যোদ্ধা খ্যাত কুয়েতের অসংখ্য প্রবাসী। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে পড়ার কারণে অনেকের আকামা (বৈধপত্র) শেষ হয়ে গেছে এবং কর্মস্থলে ফেরত আসতে না পেরে নিঃস্ব হয়ে চরম হতাশায় দিনযাপন করছেন। যাদের আকামা এখনো আছে তারা দিন গুনছেন কখন ফিরবেন। এর মধ্যে কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে, কুয়েত অনুমোদিত পাঁচটি টিকার যে কোনো একটি নিলে বিদেশিরা কুয়েত প্রবেশ করতে পারবে। এ অবস্থায়, দেশে থাকা কুয়েত প্রবাসীদের ফাইজার, অক্সফোর্ড, জনসন, অ্যাস্ট্রাজেনিকা বা মর্দানো টিকার যে কোনো একটি প্রদানের ব্যবস্থা করা জরুরি। অন্যথা, এসব প্রবাসী কুয়েত প্রবেশ করতে পারবেন না। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জরুরি পদক্ষেপ নিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
জাহিদ হাসান জনি, সাইফ রুবেল
কুয়েত থেকে
