সাঁতার এবং বিশেষ যত্ন কমাতে পারে অকাল মৃত্যু

আপডেট : ০৯ জুন ২০২১, ২১:৪৭

বর্ষা দ্বিতীয় ঋতু। গ্রীষ্মের খরতাপকে বিদায় জানিয়ে বর্ষণমুখর হয়ে যাবে প্রকৃতি। প্রশান্তি এনে দেবে প্রাণে। বছরের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি এই সময়টাতেই হয়। নিম্নভূমির সবটাই জলে টইটম্বুর হয়ে যায়। খাল-বিল, নদ-নদী, পুকুর, ডোবা-নালাগুলো প্রাণ ফিরে পায়। নৌ-ভ্রমণের আয়োজনও হয় ঢের। কিন্তু আমাদের সামান্য একটু অসাবধানতায় ভয়ংকর হয়ে দাঁড়ায় এই বর্ষাকাল। জলে ডুবে অকালেই ঝরে যায় অনেক তাজা প্রাণ। বিশেষ করে শিশু-কিশোরেরা সাঁতার না জানার কারণে জলে ডুবে মারা যায়। অনেক সময় দেখা যায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা খেলার ছলে পুকুর কিংবা ডোবার জলে নামে। শুধু সাঁতার না জানার কারণে সেখানেই হয়তো হয়ে যায় তার সলিলসমাধি। সেজন্য এসব জায়গা শিশুরা যাতে টপকাতে না পারে এমন উঁচু বেড়ার ব্যবস্থা করা উচিত। অভিভাবকদেরও শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি জরুরি। কিশোর-কিশোরী, প্রাপ্তবয়স্ক সবারই সাঁতার জানা উচিত। আসন্ন বর্ষা মৌসুম হতে পারে সেজন্য আদর্শ সময়। আসুন সাঁতার শিখি। শিশুদের ব্যাপারে যত্নবান হই। সবার সচেতনতা, আন্তরিক প্রচেষ্টাই রুখতে পারে জলে ডুবে মৃত্যুর মিছিল।

মঈনুল হক খান

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া