প্রস্তাবিত বাজেটে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তামাকে সুনির্দিষ্ট করারোপ না করায় তামাকজাত ব্যবসা বাড়বে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ভয়েস। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এই আশঙ্কা করা হয়। এতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারপারসন ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, খুব নগণ্য হলেও তামাক কোম্পানিতে সরকারি মালিকানা বা শেয়ার আছে। যার কারণে একটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বোঝাপড়া তৈরি হয় এবং তামাক কোম্পানিগুলো তাদের অশুভ চক্র কাজে লাগিয়ে সুবিধা ভোগ করে। এ কারণে প্রতিবার বাজেটে তামাক কর নিয়ে আমরা হতাশ হই।
সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রকল্প সমন্বয়কারী জায়েদ সিদ্দিকী। প্রবন্ধে প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবার আশঙ্কা করা হয়। বিশ্বে সর্বোচ্চ তামাক ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম প্রথম দিকে এবং ৩৫.৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাকে আসক্ত। প্রতি বছর ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে প্রাণ হারায় এবং অনেকে অকালে পঙ্গু হয়ে যান। করোনা মহামারি আক্রান্ত পৃথিবীতে বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশেও স্বাস্থ্য ক্ষতি কমানোর উদ্দেশে তামাকের বহুস্তরভিত্তিক ব্যবস্থা লোপ করা থেকে শুরু করে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের দাবি জানানো হলেও প্রস্তাবিত বাজেটে নেই তার প্রতিফলন।
ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদের পরিচালনায় এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা আহসানিয়া মিশন, প্রজ্ঞা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন, উন্নয়ন সমন্বয় এবং ডর্পের মতো সংগঠন ।
