মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চি ও তার সরকারের সাবেক অন্যান্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের সরকার নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার'’এ তথ্য জানায়। মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে সু িচর ১৫ বছরের জেল হতে পারে। খবর রয়টার্সের
নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি সু চির বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের মধ্যে সর্বশেষ সংযোজন এই মামলা। সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্রটি দুর্নীতি দমন কমিশনের বরাত দিয়ে জানায়, ক্ষমতায় থাকাকালীন দাতা সংস্থা দাও খিন কি ফাউন্ডেশনের নামে দেওয়া জমির অপব্যবহার করেছেন সু চি ও তার দলের লোকেরা। রাজধানী নেপিডোর পুলিশ স্টেশনে সু চি ও অন্যান্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে সু চির বিরুদ্ধে স্বর্ণ ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সু চির বিরুদ্ধে নিজের পদমর্যাদা ব্যবহার করে দুর্নীতি করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই তাকে দুর্নীতি দমন আইনের ধারা ৫৫ এর অধীনে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আইনে অপরাধ প্রমাণ হলে তার সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদ্ল হতে পারে। তবে মামলার বিষয়ে সু চির আইনজীবীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সু চি ইতোমধ্যেই ওয়াকিটকি রেডিওর অবৈধ ব্যবসা থেকে শুরু করে দাপ্তরিক গোপনীয়তা আইন ভঙ্গসহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত। তার সমর্থকদের দাবি, সবগুলো মামলাই তাকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে সু চি জালিয়াতি করেছেন, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী। অবশ্য পূর্ববর্তী নির্বাচন কমিশন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন।
