এবার মসজিদে নামাজ পড়বেন নারীরা

আপডেট : ১০ জুন ২০২১, ২২:০৩

 ‘মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই/যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই পঙিক্তগুলোই বলে দেয় মসজিদের মহত্ত্ব ও পবিত্রতা। সেই মসজিদ এবার সরকারি উদ্যোগে নয়নাভিরাম করে নির্মাণ করা হয়েছে প্রত্যেক জেলা উপজেলায়। যে মসজিদের বাইরের চেয়ে অন্দর যেন আরো সুন্দর। দেওয়ালে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন আয়াত-দোয়া। মেঝেতে দামি টাইলস, সিলিং থেকে পুরো মসজিদে ঝলমলে আলো ছড়াচ্ছে ঝাড়বাতি। রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও। সব মিলিয়ে একাগ্র ও একনিষ্ঠ হয়ে নামাজ আদায়ের যথার্থ পরিবেশ রয়েছে যেখানে। যে মসজিদে ইসলামের সোনালি যুগের মতো মহিলাদের পুরুষের সঙ্গে একত্রে জামাতে নামাজ আদায় করারও দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। ব্যবস্থা করা হয়েছে আলাদা করে প্রতিবন্ধীদের নামাজ আদায়ের। এছাড়াও রয়েছে ইসলামিক বই বিক্রি কেন্দ্র, পাঠাগার, দিনিশিক্ষার ব্যবস্থা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ, অতিথিদের থাকার ব্যবস্থাসহ নানা সুবিধা। জেলা-উপজেলায় নির্মিত হচ্ছে এমন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র? গত বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি ৫০টি মসজিদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ মুসল্লিরা বলছেন, সরকারের এমন উদ্যোগ ইসলামের মূল্যবোধ, জ্ঞান, সংস্কৃতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাভারের নারগিস আক্তার নামে একজন নারী জানান, মহিলাদের নামাজের জায়গা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যেটি আগে ছিল না। ধর্মীয় ইবাদতের জায়গায়ও আমাদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হয়েছে। নারীদের ১৫০ জনের নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে প্রত্যেকটি মসজিদে। সাভার মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা মারুফ বিল্লাহ বলেন, মসজিদ যে এত সুন্দর হতে পারে সেই দৃষ্টান্ত এই মসজিদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হলো। মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের সঠিক বাণী ছড়িয়ে যাবে সব জায়গায়। ইসলাম চর্চা করারও সুযোগ রয়েছে।