জিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিম বাসিন্দাদের প্রতি চীনের নীতির তীব্র সমালোচনা করায় ২০১৮ সালে উইঘুরের সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রফেসরকে আটক করা হয়েছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তাকে বহিস্কার করা হয়। কিন্তু এই বছর, তিনি চীন সরকারের একটি প্রচারাভিযানের প্রতিরক্ষা এবং সমর্থন অনুশীলনের অংশ। অথচ, একসময় তিনি এর বিরোধীতা করেছিলেন।
রেডিও ফ্রি এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলনার ওবুল নামে ওই প্রফেসর কাশগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের উন্নয়ন ২০১৬ সাল থেকে পণ্ডিতদের নীতির সমালোচনা করছে। যা তাকে সমস্যায় ফেলেছে। সেই নীতির কারণেই তিনি বহিস্কার ও আটক হন।
চীনা একাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস গবেষকের সঙ্গে প্রকাশিত সংলাপে গুলনার ওবুল বলেন, স্থিতিশীলতার জন্য চীনের অনুসন্ধান নথি বা আদেশের মাধ্যমে অর্জন করা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন সত্যিকারের সাংস্কৃতিক শক্তি ও ধারণা।
সরকারের একটি দুর্বলতা হলো- অনেক কর্মকর্তাই ইসলাম এবং এর ইতিহাস সম্পর্কে খুব বেশি জানেন না, যোগ করেন তিনি।
ইত্তেফাক/টিএ
