নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে ব্রিজ নির্মাণের ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়কসহ সম্প্রসারিত সড়ক নির্মাণ না করায় সেতুটি পথচারীদের কোন কাজে আসছে না। ফলে ব্রিজটি একরকম অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্মাণ করে মাগুড়া ইউনিয়নের বুল্লাই নদীর উপর ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর দু’পাশে সড়কের কোন অস্তিত্ব নেই। সড়কের অস্তিত্ব না থাকায় ওই এলাকার হাজারো মানুষ ব্যাক্তি-মালিকানা জমির সংকুচিত আইল দিয়ে হালচাষ, কৃষিপণ্য,গরু-ছাগল নিয়ে পায়ে হেঁটে ওই সেতু দিয়ে চলাচল করে। খরা মৌসুমে জমির আইল দিয়ে সেতু উঠে পার হলেও বর্ষা মৌসুমে সেতুর চারপাশ অথই পানিতে জমির আইল নিমজ্জিত হয় যায়। তখন সেতুর পূর্ব দিকে (ওপার) কৃষিজমি দেখভালসহ কৃষিপণ্য আনা নেওয়ায় দুর্ভোগের শেষ থাকে না। ওই সড়কবিহীন অকেজো সেতু পানির মাঝে নিঃসঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে।
এলাকাবাসীরা জানান, সেতুর দু’পাশে কোন সরকারি রেকর্ডভুক্ত সড়ক নেই। বর্তমানে সেতুটি দিয়ে চলাচলের জন্য সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সিহাবের কাছে ওই সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে সড়কটি নির্মাণের কথা একাধিকবার উত্থাপন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হাসনাত সরকার জানান, আমি এ উপজেলায় কিছুদিন আগে যোগদান করেছি। ব্রিজটির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/এসজেড
