চাঁদপুরে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট সংকট

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২১, ০০:৫২

চাঁদপুর জেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের কিটের সংকট দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে মতলব উত্তর, ফরিদগঞ্জ, কচুয়ায় এই পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গেছে। চাঁদপুর সদর উপজেলা বাদে বাকি উপজেলাগুলোতেও এক-দুই দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। অন্যদিকে প্রতিদিন আরটি-পিসিআর ল্যাবে টেস্টের জন্য সংগৃহীত শত শত নমুনা টেস্টের বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে জেলায় প্রতিদিন করোনা রোগী শনাক্তের প্রকৃত তথ্য জানা সম্ভব হচ্ছে না।

সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, জেলার অধিকাংশ উপজেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের কিট শেষ প্রায়। আমার অফিসে কোনো কিট মজুত নেই। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে সদর হাসপাতাল বাদে অন্যসব উপজেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আরটিসি-পিসিআর ল্যাবের টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে সারা জেলায়।

ইরানে 'র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন' টেস্ট কিট উৎপাদন শুরু

তিনি আরো বলেন, আরটি-পিসিআর টেস্টের জন্যও নমুনা বেশি হওয়ায় চাঁদপুরে প্রতিদিন শত শত নমুনা জমা পড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন যতজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয় তার অর্ধেকও টেস্ট করা সম্ভব হয় না কোনো কোনো দিন। গত কয়েক দিনের অতিরিক্ত নমুনা চট্টগ্রামস্থ ল্যাবে পাঠানো হবে। সম্প্রতি কয়েক দফা নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে বাড়তি নমুনা পাঠানো হয়।

সিভিল সার্জন জানান, চাঁদপুর জেলায় এ পর্যন্ত র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের জন্য ১১ হাজার ১১টি কিট এসেছে। এর মধ্যে ৪ হাজার কিট বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। চাঁদপুর সদর হাসপাতালকে দেওয়া হয়েছে ৬ হাজার ১১টি কিট। এছাড়া চাঁদপুর বক্ষব্যাধি (টিবি) ক্লিনিক ও ব্র্যাকের ডটস্ (টিবি) কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে ৫০০ করে কিট। এর মধ্যে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ৩ হাজার ৭৮৪টি কিট অবশিষ্ট আছে। তিনটি উপজেলার কিট শেষ। বাকিগুলোতে খুব অল্প পরিমাণ কিট অবশিষ্ট আছে।

ইত্তেফাক/এমআর