চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানে গুলি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সমর্থকদের তিন থেকে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। আহতদের মধ্যে যুবলীগ নেতা ও বর্তমান নয় নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর লোকমান হাকিম ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমিনের পরিচয় জানা গেছে। এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে পুলিশের অনুরোধে অবরোধ তুলে নেয় বিক্ষোভকারীরা। যানবাহন চলাচল পরে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। এদিকে, এ ঘটনায় হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
চন্দনাইশ থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার বলেন, একটি সভায় দুই গ্রুপের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। উভয়পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে। কিন্তু গুলির বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি তারা।
জানা গেছে, শোকসভায় সভাপতির বক্তব্যের শেষ সময়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুই গ্রুপ মারামারিতে জড়ায়। এসময় ছয় সাত রাউন্ড গুলি চলে। গুলিতে তিন থেকে চারজন আহত হন।
সোমবার চন্দনাইশের হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম বাবুল। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ জুনু, বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন সুজন।
ইত্তেফাক/এএএম
