সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কঠিন লড়াইয়ের পরও জিতেছিল বাংলাদেশ দল। তখনই আসলে আভাস ছিল কন্ডিশনে মানিয়ে নেয়ার মিশনে দ্রুতই সফলতা পাচ্ছে ব্ল্যাক ক্যাপস। তৃতীয় ম্যাচে চূড়ান্ত ফলটাও পেয়েছে সফরকারী দল। স্লো, লো বাউন্সের উইকেটে স্পিন জালে বাংলাদেশকে আটকে ফেলেছে তারা। ৫২ রানের বড় জয়ে সিরিজে ফিরেছে নিউজিল্যান্ড।
মাহমুদউল্লাহদের হারিয়ে দারুণ খুশি কিউইরা। সিরিজে টিকে আছে টম ল্যাথামের দল। বিশেষ করে হোম কন্ডিশনে বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে পেরে সন্তুষ্ট তারা। সোমবার দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হেনরি নিকোলস বলেছেন, এখন সিরিজটা কঠিন হবে বাংলাদেশের জন্যও।
গত রবিবার ম্যাচ জয়ের পর আজ অনুশীলন করেনি নিউজিল্যান্ড। বিশ্রামেই ছিল সফরকারী দল। সকালে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নিকোলস বলেছেন, ‘আমরা টেবিলটা বাংলাদেশের দিকে কিছুটা ঘুরিয়ে দিয়েছি। তাদেরকে চাপে ফেলেছি। এটা তাদের জন্যও কঠিন হবে।’
দ্বিতীয় ম্যাচে ৬২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও নিকোলস-ব্লান্ডেলের ৬৬ রানের জুটিতেই লড়াইয়ের পুঁজি পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড। নিকোলস ইনিংস সর্বোচ্চ অপরাজিত ৩৬ রান করেছিলেন। তারপর বাংলাদেশের ইনিংসটা মাত্র ৭৬ রানে গুটিয়ে দিয়েছে কিউই স্পিনাররা। নিকোলস বলেছেন, ‘ম্যাচ জেতা এবং সিরিজটা বাঁচিয়ে রাখা দারুণ বিষয়। দল হিসেবে আমরা প্রতি ম্যাচেই উন্নতি করছি। প্রতিটি ম্যাচের কন্ডিশনে ভিন্নতা আছে, সেটা আরেকটা চ্যালেঞ্জ। সবাই নিজের কাজটা দ্রুত শিখছে দেখে ভালো লাগছে। অধিনায়ক হিসেবে টম (ল্যাথাম) সবাইকে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছে, এখানে কাজটা কঠিন কিন্তু আমাদের উন্নতির উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমরা যদি প্রতি ম্যাচে তা করতে পারি তাহলে রেজাল্ট আসবে।’
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ দেখেই সিরিজের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করেছেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। মিরপুরে তাই স্পিনারদের উপরই ভরসা করেছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। নিকোলস বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি এখানে অস্ট্রেলিয়া এসেছিল এবং তারাও সংগ্রাম করেছে যে ফরম্যাটে তারা খুবই ভালো। আমরা জানতাম এটা শক্ত চ্যালেঞ্জ হবে। স্পিনাররা সুরটা বেঁধে দিয়েছে। আমরা তাদেরকে চাপে ফেলতে পেরেছি।’ বুধবার সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরানোর আশায় এখন নিউজিল্যান্ড। তিন ম্যাচ পর ২-১ এ এগিয়ে আছে টাইগাররা।
ইত্তেফাক/এসআই
